by Jahid | Nov 27, 2020 | ছিন্নপত্র
বছর কুড়ি আগে শোনা একটা ফিউ লাইনার ( ওয়ান লাইনার বলা যাবে না যেহেতু !)
গ্রামের স্কুলের শিক্ষকদের ভগ্নদশা। হয় ক্লাসের আগে চাষ করে আসে বা ক্লাস শেষে হাটবাজার করে বাড়ী ফেরে। কেউবা আগের রাতে মাছ ধরে , যাত্রা দেখে ক্লান্ত অবস্থায় আসে ক্লাসে। গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পোলাপানগুলাও প্রায়শ: নাদান থাকে।
তো এই রকমই এক নাদানদের ক্লাসে, ক্লান্ত অবসন্ন শিক্ষক।
‘ জোরে জোরে পড়্ , পাখীসব করে রব রাতি পোহাইলো ; কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।
এক ছাত্র মাঝখানে বলে উঠল , স্যার পরথম লাইনের অর্থ বুঝি নাই।
রাতজাগা ত্যক্ত বিরক্ত স্যার খিঁচিয়ে উঠে বলল:
‘পাখীসব’ তো পাখীসবই ! ‘করে রব’ মানে তো বুঝসই, আর ‘রাতি পোহাইল’ না বুঝলে কি বাল ফালাইতে স্কুলে আইছস ?’
by Jahid | Nov 27, 2020 | ছিন্নপত্র
বছর দশ বারো আগে , আমার বিবাহিত জীবনের প্রথমদিকেই এবং একইসঙ্গে চাকরির সবচেয়ে বিপদসংকুল সময়ে এক তরুণী দুই-তিনদিন করে ফোন দিল। খাজুর করা , মিষ্টি মিষ্টি কথা।
সপ্তাহ খানেকের মাথায়, সারাদিন রোজা রেখে রিকশায় আমি আর আমার কলিগ অন্য এক অফিসের ইফতার পার্টিতে মুখরক্ষা করতে যাচ্ছি। এর মাঝে সেই মেয়ের ফোন। আগের কয়েকটা আলাপ দীর্ঘ ছিল, এই বারেরটা আর দীর্ঘ করতে ইচ্ছে করলো না।
এইটাও বুঝলাম সে আমার অফিসের কোন মহিলা কলিগের মাধ্যমে আমার ব্যাপারে কিছু খোঁজখবরও নিয়েছে ।
ফোনালাপের মাঝে আমি জানতে চাইলাম , সে আসলে কী চায়।
ন্যাকা ন্যাকা গলায় ‘বন্ধু হতে চাই, আমরা কি বন্ধু হতে পারি না! ’
উল্লেখ্য, সেটা ছিল মোবাইল ফোনের প্রাথমিক যুগ, এইসব নানারকম সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ফেটওয়ার্কিং ছিলনা। ছিলনা কোন ভার্চুয়াল জগত।
‘আপনি জানেন আমি বিবাহিত?’
‘জানি।’
‘তাহলে আপনার আর আমার বন্ধুত্বের সংজ্ঞা বা সীমানাটা কোথায় ?’
আমি বললাম, ‘ ধরেন, আপনার সাথে আমি মাস তিন-চারেক গুচ্ছের টাকা খরচ করে ফোনাফুনি করলাম।( সেই সময় কলরেটের কথা চিন্তা করেন, ৬ টাকা ৯০ পয়সা /মিনিট!)
তারপর? তারপর , কোন এক পবিত্র বিকালে আপনি আমার সাথে বা আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাইব।
মেয়েটি আরও ঘন গলায় বলল , ‘তাতো চাইতেই পারি ! পারি না ?’
‘ধরেন অফিসের এতো ঝামেলার মধ্যে সময় বের করে কয়েকদিন চাইনিজ টাইনিজ খেলাম?
মেয়েটা নীরব সম্মতি জানালো , ‘হুম।’ ( মানে চাইনিজ খেতে চায় ! )
‘তারপরে একটু গা ঘেঁষাঘেঁষি হবে, তারপর ছয়মাসের মাথায় এই সম্পর্ক হয়তো বিছানা পর্যন্তও যেতে পারে !’
মেয়ে এইবার কিছুটা বিব্রত, বলে উঠলো , ‘আপনি আমার সাথে এই ভাবে কথা বলছেন কেন?’
মেয়েটি তখনো বোঝে নাই,আলোচনা কোনদিকে যাচ্ছে।
‘আমার মতো একজন ব্যস্ত মানুষের পক্ষে এই ছয়মাস ধরে বিবাহিত জীবনের পাশাপাশি রোমাঞ্চের জন্য এতো সময় বা অর্থ নষ্ট না করে আমরা কি ব্যাপারটাকে সংক্ষিপ্ত করতে পারি না?
আপনি ঠিকানা দেন ইফতার সেরে আপনার বিছানায় আসি!
মেয়েটা কিছুক্ষণ পরে তোতলাতে শুরু করলো।
যাই হোক, ওই ঘটনার পরে সে আর কখনো আমাকে ফোন দেয় নি। এবং আমার বিবাহবহির্ভূত রোমাঞ্চের ওইখানেই অকাল প্রয়াণ !
[ প্রকাশকালঃ মার্চ,২০১৩ ]
by Jahid | Nov 27, 2020 | ছিন্নপত্র, লাইফ স্টাইল
আব্বা-আম্মার দিকে তাকালে ইদানীং খারাপ লাগা শুরু হয়।
জীবন চক্রের যে জায়গাটায় আজ আমি দাঁড়িয়ে ; সেখান থেকে সামনে পিছনে দুইদিকেই চোখ চলে যায়। চল্লিশোর্ধ জীবন মানেই টুকটাক হৃদকম্পনের সাথে সাথে মধুমেহ ইত্যাদি ধীরে ধীরে ছুঁয়ে যায় আমাদের দেহ। আমি দেখতে পাই আমার ভবিষ্যৎ চেহারাটাকে ঠিক আব্বার জায়গায়।
আমার আশেপাশের মুরব্বিদেরও বছর পঞ্চান্ন- ষাট পর্যন্ত তেমন কোন পরিবর্তন আমার চোখে ধরা পড়ে নাই। কিন্তু, অবাক হয়ে দেখলাম , একেকজন একেক সময়ে মাস-দুয়েকের ভিতর হঠাৎ করে করে বুড়িয়ে গেলেন। হঠাৎ করেই তাঁদের বয়স যেন বছর দশেক করে বেড়ে গেল। চামড়া কুঁচকে, চুল কমে বিশ্রী একটা অবস্থা। এটাই যে নিয়তি, এটাই যে হয়ে আসছে সবসময় — আমার মাথাতেই ছিল না !
আম্মা এখন যে পরিমাণ ওষুধ খান সকালে, আমিতো দুষ্টামি করি এই বলে যে, তোমারতো নাস্তা করার দরকার নেই। ওষুধেই পেট ভর্তি !
যাকগে ! যে জীবনচক্রের কথা বলছিলাম, ওই অমোঘ চক্রের সামনে আমরা সবাই কতটাই না অসহায় ! এতো মূল্যবান একটা জীবন– তুচ্ছ কিছু অর্থের জন্য, অন্নসংস্থান , ছাঁদ , ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা –ইত্যাদি ইত্যাদি বাল ও ছালের জন্য অপচিত হচ্ছে। কোন মানে হয় !
তারাশঙ্করের ‘কবি’ উপন্যাসের নিতাই কবিয়ালের কথা মনে হয়।
লাইনগুলো আগে এতোবার শোনা, মর্মার্থ বুঝতে বয়স হওয়া লাগলো, চল্লিশ পেরুতে হলো!
“ এই খেদ মোর মনে,
ভালবেসে মিটল না আশ, কুলাল না এ জীবনে।
হায় জীবন এত ছোট কেনে ,
এ ভুবনে?”
হায় ! জীবন এত ছোট কেনে ?”
প্রকাশকালঃ ২৭শে মার্চ,২০১৩
by Jahid | Nov 27, 2020 | ছিন্নপত্র
মেয়ের নাচের অনুষ্ঠানে গেছি। মেয়ের একটা দলগত নৃত্য আছে। পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে মেকআপ, মেয়ের মায়ের ব্যাপক প্রিপারেশন। অনেকের মাঝে একটা মেয়েকে চোখে পড়লো। গর্বিত-ভঙ্গীর , একক নৃত্যে আছে। তার শিক্ষক তাকে বার বার বুঝিয়ে দিচ্ছে স্টেপগুলা। আশে পাশের ওর সমবয়সী ছেলেমেয়েগুলা আড়চোখে তাকাচ্ছে তার দিকে ঈর্ষার দৃষ্টিতে।
ঘটনা ওইখানে না–
ঘটনা হচ্ছে, আমার পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। আমাদের সময়েও এই রকম বহুমুখী প্রতিভার বালিকারা ছিল।
আমরাও ঈর্ষান্বিত দৃষ্টিতে তাকাতাম ওদের দিকে। রবীন্দ্র নৃত্যে সাদা-লাল পাড়ের বালিকাদের মনে হতো ,ওরা এই মর্ত্যের নয়। অন্যকোন জগত থেকে নেমে এসেছে এই ধরায়, শুধুই আমাদেরকে মুগ্ধ করতে!
যুগে যুগে এই স্বর্গের অপ্সরীরা যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে জুলজুলে চোখে তাকানো বালকেরা !
প্রকাশকালঃ মার্চ ,২০১৩
by Jahid | Nov 27, 2020 | ছিন্নপত্র
৯০ এর এরশাদ বিরোধী স্বৈরাচার হঠাও আন্দোলনের কিছুদিন পরেই আমাদের ব্যাচের ঢাকা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার সীট পড়লো রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে। আমাদের অনেক প্রার্থনা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যুক্তিসঙ্গত কারণে আমাদের বোর্ড পরীক্ষা একমাস হলেও পিছবে। সে গুড়ে বালি।
দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সীট সচরাচর সরকারী বিজ্ঞান কলেজে পড়ে এবং ওখানকার শিক্ষকেরা ঢাকা কলেজের পোলাপানরে একটু স্নেহের দৃষ্টিতেই দেখেন বলে শুনেছিলাম। আমরা বেশ বিব্রত! অনেক আগে একবার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নাকি আমাদের সীট পড়েছিলো। তখন ওখানকার স্যাররা নাকি ঢাকা কলেজের পোলাপানের ‘হালুয়া টাইট’ করে দিয়েছিল। দুরুদুরু বুকে পরীক্ষা দিতে গেলাম। মিরপুরের মফিজ, দেড় বছরের ঢাকা কলেজের জীবনে হুদাই নাসিম বানু, আজাদ স্যারের কাছে দৌড়াদৌড়ি করেছি আর গুপ্তকেশ ছিঁড়ে আঁটি বেঁধেছি। প্রিপারেশন খুবই নড়বড়ে। পরীক্ষার মাস দুই আগে মনিপুর স্কুলের বিখ্যাত ছাত্র মুকুল ভাইয়ের কাছে গেলাম। বললাম, ভাই এই যাত্রা বাঁচান, প্রিপারেশনের যা তা অবস্থা ! উনি তখন বুয়েটে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন। কয়েকটা মডেল টেস্ট নিলেন, আমি অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম তিন ঘণ্টায় ফুল অ্যানসারই করতে পারছি না ! কিছুই করার নেই, রাতদিন খেটে মাস দুয়েকের ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর করে প্রিপারেশন নিলাম। তার উপরে গোঁদের উপর বিষফোঁড়া রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে আমাদের সীট !
বড়ো বড়ো গ্যালারীতে বা হলরুমে পরীক্ষা দিয়া অভ্যস্ত আমরা ব্যাপক ফাঁপরে—যেয়ে দেখি ২০ জনের বসার মতো এক রুমে আমার সীট পড়েছে। প্রিপারেশনের অবস্থা এরকম যে, সবই পারি, কিন্তু দুই সেকেন্ডের কথায় কেউ যদি একটু ধরিয়ে দেয় তো ফুল অ্যানসারটাই করতে পারি; নইলে পৃষ্ঠা ফাঁকা রেখে অন্য কোশ্চেনে যেতে হয়।
মুরব্বীরা যা বলেছিল, ঘটনা সত্য–অক্ষরে অক্ষরে সত্য। কোন এক অজ্ঞাত কারণে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের স্যাররা আমাদের উপর ব্যাপক বিলা হয়ে আছেন। তাঁদের ধারণা ,ঢাকা কলেজের এসএসসির মেধাতালিকার পোলাপানগুলা মূল বোর্ড পরীক্ষার এইচএসসি-এর প্রশ্নকর্তা স্যারদের সংক্ষিপ্ত সাজেশন পেয়েই দ্বিতীয়বারের মতো এতো ভালো রেজাল্ট করে ! ভাবখানা—‘ বহুদিন পরে পেয়েছি বাপধন এইবার দেখব ক্ষণ !’
প্রথম দুই বাংলা , ইংরেজি পরীক্ষা গেল কোনমতে। দুইজন করে স্যার ছোট্ট বিশ ফুট বাই বিশ ফুট ক্লাসরুমে , ঘাড় ঘোরানোর অবস্থা তো নাইই, ফিসফাস করারও প্রশ্নই ওঠে না ! সম্ভবত: গণিত পরীক্ষা ছিল এর পরেই। দুই পার্ট পরীক্ষার পরে দেখি আশেপাশের কয়েকজন ড্রপ। সামনে পিছনে তিন বেঞ্চের মধ্যে আমি একা পরীক্ষা দিচ্ছি । মেধাতালিকায় স্থান নেওয়া ছেলেপেলে , হয়তো পরের বার পরীক্ষা দিবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে । অন্তত: আমার রুমের এই অবস্থা ছিল। অন্য রুমের কথা জানি না। চাচা আপন প্রাণ বাঁচা। একবার ভাবলাম, দিই ড্রপ। পরে ভাবলাম, যা থাকে কপালে – নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরে মানুষ হয়ে ওই বিলাসিতা আমার মানায় না , তাই সেই চিন্তা বাদ দিলাম। এসএসসি তে ৯০ সালে ৮১২ পাওয়া আমি নড়বড়ে প্রিপারেশন নিয়ে, একটা কথাও না বলে, খাঁটি ভাবে পরীক্ষা দিলাম এবং শুধুমাত্র পদার্থবিজ্ঞানে লেটার নিয়া কোনমতে ৭৫১ পেয়ে ওই যাত্রা রক্ষা পেলাম। স্টার মার্ক মানে তো স্টার মার্ক– কেউ তো আর জিজ্ঞেস করবে না , কত নাম্বার নিয়া স্টার পেয়েছিস !
আমার এই ব্যাপারে কোন মনোবেদনা নাই। রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের স্যারদের মাস কয়েক অভিসম্পাত করেছি। পরে আস্তে আস্তে ভুলে গেছি। স্যাররা ঠিক কাজই করেছেন। নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিতাম— যে নাম্বারই পেয়েছি , একদম খাঁটি ! কী আর করা পাগলের সুখ মনে মনে, দিনের বেলা তারা গোনে। ওইদিকে আমার স্কুলের অন্য মেধাবীরা যারা নটরডেমে ভর্তি হয়েছিল তাঁরা চকচকে দুর্দান্ত রেজাল্ট করে বের হলো।
কিন্তু এতদিন পরে এই কথা কেন?
তৃণভোজী, গৃহপালিত, নিম্নমধ্যবিত্ত, নিরাপদ দূরত্বে থেকে লেজ নাড়ানো , এই আমার কী দরকার দেশের এতো কিছু নিয়ে চিন্তা করার ! এর চেয়ে এই ভালো আরো অসংখ্য ভেদাভেদহীন গৃহপালিত মধ্যবিত্তের মতো, সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে ‘ হ্যাঁগো, আজ কী রেঁধেছো’ বলে টিভির রিমোট নিয়ে বসা– আর কতকগুলা দালালের অশ্লীল টকশো দেখে, দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বলা ‘ ওগো শুন্ছো দেশটার যে কী হচ্ছে! ’
ধান ভানতে শিবের গীত গাইছি, এই কারণে—যে এই অন্তর্জালিক জগতে অসংখ্য নামের আর প্রোফাইল পিকচারের ভিড়ে , রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্টের মতো খাঁটি কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী পেয়েছি, তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনারা সবাই ভালো থাকুন।
প্রকাশকালঃ মার্চ ২০১৩
by Jahid | Nov 27, 2020 | ছিন্নপত্র, লাইফ স্টাইল
লেখকেরা যেমন এক স্থানের চরিত্রকে আরেক জায়গায় নিয়ে গল্পের জাল বুনে যান, আমরাও কিন্তু অল্প বিস্তর তা করি।
ধরুন নতুন কোন উপায়ে আপনি প্রতারিত হলেন বা ধরা খেলেন ।
ঘরে ফিরে বউকে বললেন , ‘অমুক ভাই ক্যাম্নে ধরা খাইছে জানো?’
নিজের নামটা চেপে গেলেন দিব্যি !
আবার ধরুন , আপনি ঢাকা শহরে কোন এক পার্টিতে একটু বেশী পানে বেসামাল হলেন। কিন্তু, আপনার এই ব্যাপারটাও অন্য কোন বন্ধু বা কলিগের উপর দিয়ে চালিয়ে দিলেন।
‘ বুঝছ কিনা, অমুক ভাই, খাইতে পারে না, কিন্তু ৭/৮ পেগ মাইরা বইসা আছে। ফ্রি পাইলে যা হয় আর কি ! বমি টমি কইরা অস্থির ! শালার বাঙ্গালী , মাগনা পাইলে আলকাতরাও খায়!’
প্রকাশকালঃ মার্চ, ২০১৩
সাম্প্রতিক মন্তব্য