by Jahid | Jun 29, 2026 | ছিন্নপত্র, দর্শন
মাথার মধ্যে হঠাৎ হঠাৎ উঁকি দিয়ে যায় অনুভূতিগুলো ! ঠিক যেনো, কবিতার একটা লাইনের মতো, ভ্যাপসা গরমে হঠাৎ শীতল বাতাসের মতো! তারপর ,তারপর নিষ্কৃতিহীন নিরেট কাজের চাপে ওই সুন্দর অনুভূতি আর কবিতার লাইনটা কোথায় যে উবে যায় ! তারে যায় না ছোঁয়া আরেকবার !
প্রথম প্রকাশঃ ২৫শে জুন,২০১৩
by Jahid | Jun 29, 2026 | ছিন্নপত্র, স্মৃতিচারণ
বাচাল লোকের উদাহরণ দিই একটা।
আমার চাকরিজীবনের মধ্যবর্তী ব্রিটিশ কোম্পানির এক মিটিং এ গেছি ব্যাঙ্গালোর। মাঝখানে পড়ছে রবিবার উইক-এন্ড। মাঝবয়েসী ব্রিটিশ মহিলা বস বললেন , আমি মহীশুরে যেতে চাই কীনা। খুব ভোরে অফিসের গাড়ীতে রওয়ানা দিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ ফিরে আসা যাবে। হোটেলরুমে ফালতু সময় নষ্ট না করে ফ্রি ঘুরে আসার সুযোগ কে ছাড়তে চায়? মহীশুরের রাজপ্রাসাদে যাওয়ার পথে আমরা টিপু সুলতানের দরগা হয়ে গেলাম। সারি বাঁধানো কবর। ভীষণ বিষণ্ণ হলাম বড়দের কবরের পাশাপাশি ছোট্ট ছোট্ট কয়েকটা কবর দেখে।অশ্লীল যুদ্ধের দামামায় কে শিশু আর কে কিশোর !
ওই বিষণ্ণতা মহীশুরের বিশাল রাজপ্রাসাদ পর্যন্ত ।কোথা-থেকে এক চ্যাংড়া গাইডও জুটে গেল। আমি , ব্রিটিশ বস, দক্ষিণভারতীয় ড্রাইভার( যে ইংরেজি খুব একটা পারে না) ঘুরে ঘুরে মানুষের সম্পদের বাহুল্য দেখছি। চ্যাংড়া গাইডটা চোস্ত ইংরেজিতে বকবক করে মাথা ধরিয়ে দিচ্ছে । আমার মনে পড়ছে পুরনো ইতিহাস। ব্রিটিশ বস মাঝে সাঁঝে হু হা করছে। কিছুক্ষণ আগের ওই দরগার স্মৃতি হয়তো তাঁকেও কিছুটা উদাসীন করে রেখেছে । প্রাসাদ থেকে বের হওয়ার আগে বাচাল গাইড জিজ্ঞাস করলো আমি কোন প্রদেশ থেকে এসেছি। সে ভেবেছিল আমি বোধহয় ভারতীয় কেউ।বাংলাদেশের নাম বললাম। পরে ব্রিটিশ বসকে জিজ্ঞাস করলো তাঁর দেশ কোথায়। সে বললো, ইংল্যান্ড! বাচাল গাইড বলে উঠলো,’ You mean Great Britain, that’s why you are so fluent in English !’
আমার বিষণ্ণ বস, এতক্ষণে হো হো করে হেসে উঠলেন !
প্রথম প্রকাশ: ২৫শে জুন ২০১৩
by Jahid | May 5, 2026 | Uncategorized, ছিন্নপত্র
দুটি দুই দশকের আলাদা গল্প।
শৈশব-কৈশোরের কাহিনী আরেক দশকে এসে কীভাবে মনে প্রশ্ন তোলে, সেটা পড়ার পরেই জানা যাবে।
আশির দশকে মহল্লার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বড়ভাইদের প্রবাসে উপার্জনের জনপ্রিয় একটা গন্তব্য ছিল দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান।
পকেটভর্তি টাকা নিয়ে ফিরে এসে মহল্লার সুন্দরীদের বিয়ে-টিয়ে করে থিতু হতেন।
‘জাপান এই , জাপান সেই’ বলে মুখে ফেনা তুলতেন তারা। জাপানি লোকের সময় সচেতনতা, নিয়মানুবর্তিতা আর মহানুভবতার একই গল্প বারবার শুনতে হতো।
একবার এক বড়ভাই বলেছিলেন, যে এলাকায় তিনি থাকতেন, সেখানকার বেকারির বৃদ্ধা মহিলা মালিকটি সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করার আগে মেয়াদোত্তীর্ণ বেকারিগুলো নির্দিষ্ট একটি জায়গায় ফেলে দিতো। বেকারি জাতীয় খাবারের মেয়াদ থাকে ৩/৪ দিন। কিন্তু শীতের সময় ৫/৬ দিনেও তেমন কিছু হয় না। তো সেই বড়ভাইয়ের সঙ্গে বেকারির মহিলার খাতির ছিল, সেগুলো রাতে ফেলে দেওয়ার আগেই তিনি তাকে কিছু নিয়ে নিতে দিতেন।
সম্ভবত: ২০০৪ সালের দিকেই সুবিখ্যাত একটা মিষ্টির দোকানের শাখা খোলা হলো। আমার তৎকালীন বস রাকিব ভাই, সচরাচর একা চলতে পছন্দ করতেন না। সারাক্ষণ কলিগ ও বন্ধু পরিবেষ্টিত থেকে মাতিয়ে রাখতেন সবাইকে। তো অফিসে নিচে কিছু একটা কিনতে যাচ্ছেন বা আশে পাশে কোথাও যাচ্ছেন। ডেস্কের পাশে এসে বলতেন, ‘ওই মিঞা! চলেন তো একটু নিচে।’ আমার কাজের চাপ কেমন, ব্যস্ত আছি কীনা , সেসবের ধার ধারতেন না।
তো সেই রকম এক বিকেলে তার সঙ্গে নিচে গেছি। আমাদের বিল্ডিং এর পাশের সেই সুবিখ্যাত মিষ্টির দোকান। রাকিব ভাই কারো বাসায় যাবেন সেই উপলক্ষেই।
জীবনে প্রথম ‘বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’ টাইপ দোকানের বাইরে করপোরেট একটা দোকানে আমার পদার্পণ।
সুসজ্জিত দোকান, নিয়ন আলোর নিচে প্রাইস ট্যাগে দাম লিখে রাখা মিষ্টি। বসার জন্যে সোফা, হালকা খাবারের জন্যে টেবিল, স্মার্ট সেলসম্যান দেখে আমি তব্দা মেরে গেলাম।
আরো তব্দা খেলাম, যখন মিষ্টির দাম দেখলাম। সব পরিচিত মিষ্টিই। কিন্তু দাম আকাশচুম্বী।
ঐ সময়, মিরপুর ও উত্তরার ভালো মিষ্টির দোকানের দামী মিষ্টির দামও ২০০ টাকা কেজি পার হতো না। মেহমান বুঝে আমরা ১২০ টাকা থেকে শুরু করে ১৮০ বা ২০০ টাকা কেজির মিষ্টি নিতাম।
সেই চেইনশপে মিষ্টির দামই শুরু হয়েছে ৪০০ টাকা থেকে আর শেষ হয়েছে ৮০০+ টাকায়।
স্মৃতি থেকে লিখছি, দুধের লিটার ১৬ টাকা থেকে ২০ টাকা। চিনির দামও তাই।
মার্চেন্ডাইজার মন আমার মনে-মনে ‘কস্ট প্রাইস’ আর ‘রিটেইল প্রাইসের’ তুলনা করছি।
এক কেজি মিষ্টির দাম কীভাবে ৮০০ টাকা হয় ! আমি মেলাতেই পারছিলাম না।
পাশের সেলস ম্যানেজারকে বললাম, ‘ভাই আপনাদের দোকানের মিষ্টির বিশেষত্ব কি?
উনি একাধারে ব্র্যান্ডিং করা শুরু করলেন,এই অভিজাত মিষ্টির দোকানের হেড অফিস কানাডায়, শাখা আছে সেখানেও। সবচেয়ে ভালো পরীক্ষিত দুধ, উন্নত চিনি ব্যবহার করা হয়, কর্ম-পরিবেশ, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট, ইত্যাদি ইত্যাদি।’
আমি মিনমিন করে বললাম, ‘তারপরেও ভাই এতো দাম কেমন করে হয়?’
উনি আমাকে শেষ তথ্যটি দিয়ে কুপোকাত করে দিলেন। বললেন, ‘আমাদের মিষ্টির এক্সপায়ার ডেট আছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হলে আমার সেই মিষ্টি ফেলে দিই।’
আমি তার এই তথ্যে কুপোকাত না হয়ে উল্টো প্রশ্ন করলাম, ‘ভাই, মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টি কোথায় ফেলেন?’
পাশ থেকে রাকিব ভাই হাসতে হাসতে বললেন, ‘আরেহ মিঞা, আপনি সারাজীবন বাঁইক্যাই থাইকা গেলেন!’
প্রথম প্রকাশঃ ২০শে ফেব্রুয়ারি ,২০২৬
by Jahid | Apr 11, 2026 | ছিন্নপত্র, দর্শন
অবহেলায় বেড়ে ওঠা আমার ছোট্ট মেয়েটা দেড় বছরে পা দিল ।
আধো আধো বুলিতে, সারাক্ষণ সবাইকে ত্রস্ত করে রেখেছে সে । ধর্ ধর্ ধর্ , গেলো গেলো গেলো টাইপ অবস্থা আর কী ! কখন, কোথায় সে হিসু করবে, পটি করবে; কখন কেন কোনটা ফেলবে কোনই আন্দাজ নাই।
ওর তুলনায় আমার বড় মেয়েটা অনেক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। আব্বা-আম্মা অসুস্থ হওয়ার পর আমার স্ত্রীর ব্যস্ততা বেড়ে গেছে, বেড়ে গেছে আমারও। এই মেয়েটা আমাকে ২৪ ঘণ্টায় জাগ্রত অবস্থায় পায় মাত্র ঘণ্টা খানেক। বাকী যেটুকু সময়ই বাসায় থাকি , হয় ওকে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে আসি অথবা ও রাত জেগেই থাকে আমি ভোঁসভোঁস করে ঘুমাই।
আমার আম্মা আমাকে ‘বাবা’ বলে ডাকে, আর বড়কন্যা ‘পাপা’ বলে ডাকে।
ছোট মেয়েটা এর মাঝামাঝি গিয়ে আমাকে ডাকে ‘ বাপা’ বলে।
কাছাকাছি হলেই গেলেই বাপা, বাপা বাপা ডাক দিয়ে গা ঘেঁষে ওঠে !
এইসব মুহূর্তের জন্য আমি ভাবি, বেঁচে থাকাটা আসলেই চমৎকার !
প্রথম প্রকাশ: ১১ই এপ্রিল, ২০১৩
by Jahid | Apr 11, 2026 | ছিন্নপত্র, দর্শন
আপনি সিলেক্টেড পছন্দনীয় গান শুনে আনন্দ পেতে চাচ্ছেন।
সিডি কিনতে হবে ভাই ! মনোযোগ দিয়ে রিপিট করে , ঘুরিয়ে ফিরিয়ে উপভোগ করতে হলে।
আবার ধরেন , আপনার মনোযোগ নেই তেমন , হাতেও সময় আছে অফুরন্ত। এফএম রেডিও খুলে দিন। আরজে গুলোর রাজ্যের বকর বকর বাংলিশ, দুনিয়ার তাবৎ বিষয়ে তাদের জ্ঞানের বহর শুনতে শুনতে বিরক্ত হতে হতে হঠাৎ একটা ভালো গান শুনে ফেললেও ফেলতে পারেন। এইটা কিন্তু ফ্রি ! ইউ ডোন্ট হ্যাভ টু পে ফর ইট !
আমি দুইটাই করি। নানারকম নতুন অ্যালবামের গান শুনতে হলে এফএম রেডিওর বিকল্প নাই। কিন্তু এই আরজে গুলোর কথার যন্ত্রণা বেশীরভাগ সময়েই সহনীয় পর্যায়ে থাকে না। তখন সিডি ছাড়ি।
ফেসবুকের পোস্টের ব্যাপারেও আমার অবস্থা অনেকটা তাই।
আমার ফ্রেন্ডলিষ্টের মধ্যে বেশিরভাগই , নানা ভঙ্গিমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ছবি লোড করা ছাড়া বা হঠাৎ হঠাৎ প্রকৃতি ও হাদিসের পেজ শেয়ার করা ছাড়া তেমন কোন অ্যাক্টিভিটিজে নাই। যাঁদেরকে ফলো করি বা যাঁরা ভালো লেখেন , তাঁদের লেখাগুলোই সিডি শোনার মতো আমার কাছে প্রায়োরিটি পায়। আবার একইসঙ্গে এইটাও সত্য, সবার ওয়াল ধৈর্য ধরে পড়তে পারলে মাঝে মাঝে চমৎকার কিছু মুগ্ধ হওয়ার মতো পোস্ট চোখে পড়ে।
ইদানীং আমার হয়েছে আরেক সমস্যা। অফিসে ফেসবুক রেস্ট্রিক্টেড। বেকুব কিছু ফেসবুকারের অতি-ব্যবহারের প্রকোপে এটা দিছে ম্যানেজমেন্ট ব্যান কইরা । আর এই বেকুবগুলোর জন্য আমার মতো সদাশয় ফেসবুকারকে হয় অফিসে আসার আগে মিনিট বিশেকের জন্য অথবা সারাদিন ঘানি ঠেলে রাতের খাওয়া দাওয়ার পর আধা ঘণ্টা ফেসবুকে। আমি আবার ভীষণ ঘুমকাতুরে, বেশীরভাগ দিনই খবর দেখতে দেখতে বা চ্যানেলের কোন মুভি দেখতে দেখতে ঢুলে ঢুলে পড়ি। আমার নতুন অভিভাবিকা বড়কন্যা এসে মনে করিয়ে দেয়, দাঁত মেজে ঘুমিয়ে পড়ো !
কী দাঁড়াইলো ব্যাপারটা?
আপাতত ফেসবুকে আমার অ্যাক্টিভিটিজ ২৪ ঘণ্টায় বড়োজোর ১ ঘণ্টা। দেখে শুনে সিডি শোনার মতো করে বিশেষ কিছু পোস্ট পড়া ছাড়া আর কোন উপায় দেখছিনা।
ফেসবুকের বন্ধুরা সবাই ভালো থাকুন, আমার সীমাবদ্ধতাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখুন।
প্রথম প্রকাশ: ১১ই এপ্রিল, ২০১৩
by Jahid | Apr 11, 2026 | ছিন্নপত্র
দৃশ্যপট বদলে যাচ্ছে ঢাকার , মিরপুরেরও।( উল্লেখ্য , আমি মিরপুরে থাকি গত ৩৫ বছর ধরে।)
চোখ আটকে আটকে যাচ্ছে বড়ো রঙচঙে বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ডে বা উঁচু বিল্ডিং এর গায়ে।
১০ নাম্বার গোলচত্বর পার হলেই সেনপাড়া পর্বতা, কাজীপাড়া শেওড়াপাড়া শুরু।
এতো বেশী হাইরাইজ বিল্ডিং হয়ে গেছে ইতোমধ্যে যে আকাশ দেখাই মুশকিল !
প্রথম যেবার কক্সবাজার গেলাম,আমি আর বউ , বছর দশ এগারো আগে হবে মনে হয়। কলাতলী মোড় পার হওয়ার পরে দূরে দিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্রের হঠাৎ আবির্ভাব, বাস এগিয়ে চলার সাথে সাথে আবার অনেক ঘরবাড়ীর ফাঁকে হারিয়ে গেল। খুঁজেই পেলাম না।
ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে হোটেলে ওঠার পরে পাঁচতলায় রুমের ব্যালকনী থেকে হু হু বাতাস আর সমুদ্র।
তারপরের কয়েকদিন শুধুই সমুদ্রবিলাস।
অফিসের মিটিং এ ডার্লিং হারবারে (সিডনি) ছিলাম বেশ কয়েকবার, প্রথমবারের অভিজ্ঞতাটা বলি।
সন্ধ্যায় এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে পৌঁছেছি ।সঙ্গে কলিগ ছিলেন একজন যিনি আগেও কয়েকবার এসেছেন।তাঁর কাছে সিডনি মানে উত্তরা, সে সানডে মার্কেট নামে এক সাপ্তাহিক মার্কেট কোথায় হয় সেইটাও জানে। রাতের খাওয়া সারলাম এক চাইনিজ রেস্তোরাতে।
আশে পাশে সবই চীনা লোকজন , চাইনিজ সাইনবোর্ড লেখা দোকান মায় হোটেলের রিসেপসনিস্ট , বয় বেয়ারা পর্যন্ত চাইনিজ।
পরেরদিন সকালে ক্রেতার সাথে দেখা।ক্রেতা বললো, কেমন লাগছে সিডনি? আমি কইলাম এইডার সাথে হংকং এর কোন তফাত নাইরে ভাই । সারি সারি চীনা মুখ, চীনা খাবার , উঁচু উঁচু বিল্ডিং । সে স্বীকার করলো আমার অবজার্ভেশন ঠিক। আমার হোটেল ও ডার্লিং হারবারের আশে পাশে সবই চীনাদের দখলে।
পরের দিন সন্ধ্যায় হাঁটতে বেরিয়ে আকাশচুম্বী বিল্ডিং এর ফাঁক দিয়ে মিনিট দশেক না হাঁটতেই হঠাৎ সমুদ্র !
আজিব ! হু হু বাতাসে , অন্ধকারের হারবারের এইপাশ থেকে ওইপাশে আলোকোজ্জ্বল গগনচুম্বী দালান।
বুঝলাম, অতিসভ্যতা এঁদের সমুদ্র, বৃক্ষ সবকিছুকেই রেখে দিয়েছে, কিন্তু রেখেছে চোখের আড়াল করে।
মিরপুরের রোকেয়া সরণী দিয়ে যেতে যেতে কক্সবাজার আর ডার্লিং হারবারের কথা মনে পড়ে গেল।
হায় !আকাশ আর সমুদ্রের পাশে এই সব অট্টালিকার কোন মানে হয় !
প্রথম প্রকাশ: ১১ই এপ্রিল,২০১৩
সাম্প্রতিক মন্তব্য