এক মহিলা ক্রেতার সঙ্গে সারাদিন এই অফিস সেই অফিস করতেছি । গাড়ী চালাতে চালাতেই সকাল থেকে সে ঘণ্টা খানেক পরে একবার একটা আপেল খায়, আবার কয়েকটা বাদাম খায় , একটা দই খায়। জিগাইলাম , ‘সকালের নাস্তা করো নাই, ঘনঘন খাচ্ছো, কাহিনী কি? সে যা বললো, ডাক্তারের ডায়েট মতো চলে , গত তিন সপ্তাহে তার তিন কেজি ওজন কমছে। ঘনঘন খাচ্ছে কিন্তু কমকম খাচ্ছে।
কাজ করতে করতে বেলা দুইটা। এক ট্র্যাডিশনাল মেক্সিকান রেস্তোরায় যেয়ে খাবার খেতে খেতে বেলা আড়াইটা। আমিতো ক্ষুধায় মরি। সুস্বাদু সব খাওয়া আসার পরে সেই ডায়েট করা ক্রেতা যেমনে হাপুস হুপুস করে খাওয়া শুরু করলো, তাঁর সারাদিনের ডায়েটের কথা চিন্তা করে আমি হাসি থামাইতে পারি না। খাওয়া দাওয়া শেষে টেবিল থেকে উঠতে মন চায় না। হেভীওয়েট খাওয়া ও তারপরে আছে টাইমজোনের কারণে ভ্রমণক্লান্তি। মনে হচ্ছিল কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিই।
আড়মোড়া ভেঙ্গে গাড়ী চালিয়ে অফিসের দিকে আসতে আসতে সে বললো, যদি একটা আলাদীনের জিনি পাওয়া যেতো, তাইলে একটা বর চেয়ে নিতাম। খাবো কিন্তু মোটা হবো না।
ওজন নিয়ে এই বিব্রত অবস্থা দেখি সব জায়গায় আছে !
প্রথম প্রকাশঃ ২৫শে জুন,২০১৩
সাম্প্রতিক মন্তব্য