করোনায় নিজের ওজন ও স্বাস্থ্য

লকডাউনের আগে নিজের ওজন মেপেছিলাম।

তেমন কোন শারীরিক কসরত নেই, ভেবেছিলাম অনেক বেড়ে গেছে। আজ মাপতে গিয়ে অবাক , হুবহু একই আছে ! নিজেকে মোল্লা নাসিরুদ্দীনের ছাগলের মতো মনে হচ্ছে। ছাগলের ছাগলামি মোল্লার যুগেও যেমন ছিল, এই যুগেও তো তাই !
একবার বাদশাহ নামদার মোল্লার কোন এক অপমানসূচক কথায় হুকুম দিলেন, ‘মোল্লাকে এক্ষুনি রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দাও।’ অনেক কাকুতিমিনতির পর বাদশাহের দিলে রহম হলো, ‘এক শর্তে হুকুম রদ হতে পারে, যদি তা পারো তবেই রেহাই।’
মরিয়া হয়ে মোল্লা বলল,
‘হুজুর আপনি যা বলবেন, আমি তাতেই রাজি।’
‘তোমাকে একটা ছাগল ওজন করে দেওয়া হবে। ঠিক একমাস পোষার পর ওজন করে যদি দেখা যায় ওজন ঠিকই আছে, একটুও কম বা বেশি হয়নি তাহলে মাফ।’
মোল্লা আকাশপাতাল দুশ্চিন্তা করতে করতে ছাগল নিয়ে বাড়ি গেল।
একমাস পরে রাজদরবারে ছাগল ওজন করে দেখা গেল ওজন কাঁটায় কাঁটায় ঠিক, কমেওনি বাড়েও নি।
বাদশাহ ও অমাত্যরা অবাক। কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কী করে সম্ভব হলো মোল্লা?’
মোল্লা হেসে বললেন, ‘ হাজার হোক বাদশাহ নামদারের দেওয়া ছাগল, যত্নের কোন ত্রুটি রাখিনি। পেটভরেই খাওয়াতাম। কিন্তু বেশি খেলে ওজন বাড়বেই। তাই সারাদিন খাওয়ানোর পরে সারারাত একটা বাঘের খাঁচার সামনে বেঁধে রাখতাম। খেলে কী হবে, সারারাত বাঘের হুঙ্কারে আতঙ্কে সব হজম হয়ে যেতো ! তাই ওজন বাড়েও নি, কমেওনি।’

প্রকাশকালঃ ১৯শে জুন,২০২০

করোনা কৌতুকগুচ্ছ

করোনা কৌতুকএই কাহিনী উগান্ডার রাজধানী শহর কাম্পালার।তো সেদিন কাম্পালার ভিআইপি রোড দিয়ে এক তিনচাকার স্কুটারের চালক ঝিমুতে ঝিমুতে গাড়ি চালাচ্ছে দেখে পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়া প্রেসিডেন্ট সাহেব ভীষণ ক্ষেপে গেলেন। চিৎকার করে বললেন, এক্ষুনি ঐ ব্যাটাকে অ্যারেস্ট কর।– তোমার এত্তোবড় সাহস ? ভিআইপি রোডে চোখ বন্ধ করে গাড়ি চালাচ্ছো ! যদি অ্যাকসিডেন্ট করে মানুষ মরে ?– স্যার, আমার একটা প্রশ্ন ছিল।– তোমার আবার প্রশ্ন কি ?– স্যার, দেশ আগে না গাড়ি আগে ?– অবশ্যই দেশ !– তাহলে স্যার, আপনি যদি চোখ বন্ধ করে এই দেশ চালাতে পারেন …… আমার চোখ বন্ধ করে গাড়ি চালাতে সমস্যা কোথায় ?

গ্রামের এক লোকের বলদের পিঠে ঘা হয়েছে।সে পাশের গ্রামের আরেক লোককে জিজ্ঞেস করল যে তার বলদের পিঠে কোন ঘা হয়েছিল কিনা ?সেই লোক জবাব দিল,— হ্যাঁ , হইছিল তো।— তা তখন কি করলা ?— ধুতরা ফুলের বিষ গুঁড়া কইরা লাগাইছিলাম।তো ঐ লোক ফিরে এসে যথারীতি তার বলদের পিঠে ধুতরা ফুলের বিষ লাগাল।এর পরের দিন গরুটি মরে গেল।লোকটা তখন আবার পাশের গ্রামের সেই লোককে গিয়ে ধরল।— তোমার দেয়া ওষুধ লাগাইয়া তো আমার বলদ মইরা গেল ।— অবাক হইতেছ কেন? আমারটাও তো মইরা গেছে।

    ৩

 পিঁপড়ার দল সারি বেঁধে যাচ্ছে। পিছন থেকে একটা পিঁপড়া দৌড়ে সামনের পিঁপড়ার পাশাপাশি এসে জিজ্ঞেস করল,

: আমরা কোথায় যাচ্ছি ?

: কথা কম। সিরিয়াল মেইনটেন কর।

অনেকগুলো বক উড়ে চলছে সারিবদ্ধভাবে। পেছনের বক তার সামনেরটাকে বলছে,
: আমরা সামনেরটাকে ফলো করছি কেন? ও কি আমারদের লিডার?
: না।
: তাহলে ?
: সম্ভবত: ও রাস্তাটা চেনে।

এক শিয়াল তার নতুন বউকে নিয়ে ক্ষেতে চুরি করে খেতে যায়।
শিয়ালনি প্রায়ই বলে, একদিন কেউ যদি ধরে প্যাঁদানি দেয়, তখন?
: ধুর ! প্যাঁদানি দিলেই হলো, আমার লাইসেন্স আছে না ?
লাইসেন্সের কথা শুনে শিয়ালনি আশ্বস্ত হয়।
তো , এভাবে ভালোই চলছিল। হঠাৎ একদিন তারা ধরা পড়ে গেল।
বেদম মার খেয়ে ;কোনোমতে পালিয়ে, খোঁড়াতে খোঁড়াতে বাসায় ফিরে আসার পর শিয়ালনি বলল, তোমার লাইসেন্স দেখালে না কেন ? শুধু শুধু মার খেলাম !
: আরে ধুর ! তুমি ব্যাটার চেহারা দেখছ ? আমি তো দেখেই বুঝছি, ও ব্যাটা লেখাপড়া কিছুই জানে না। লাইসেন্সের মর্ম ও কি বুঝবে ?

অনেক রেফারেন্স ধরে টরে মন্টু নামকরা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি পেয়েছে।
প্রথমদিন সে খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করল। তার সিনসিয়ারিটি দেখে অফিসের বস খুশি হয়ে ছুটির আগে ডেকে পাঠাল।
: নয়টা থেকে পাঁচটা আপনি এক মনে কাজ করেছেন। আসলে আমরা এমন কর্মীই চাই। তা আজ আপনি কি কাজ করেছেন?
: স্যার , টেবিলে বসে প্রথমেই দেখলাম কম্পিউটারের কি বোর্ডে এবিসিডি সব উল্টাপাল্টা করে সাজানো। সারাদিন বসে বসে সেগুলো খুলে আবার সিরিয়াল করে লাগিয়ে দিয়েছি।

পুরোনো ঢাকার স্কুলের ক্লাসে নতুন স্যার এসে বলল,
: আজ তোমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা পড়াব। তার আগে বলো তো , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুদিবস কবে?
: ছার, জানি না।
: এই ছেলে, তুমি বলো।
: ছার , আমি ভি জানি না । হে যে কবে অছুস্থ হইল, এইডাও তো শুনি নাইকা।

একদশক আগে। দেশ ডিজিটাল হওয়ার প্রাক্বালে আগে দুই বান্ধবীর কথোপকথন।
: পুরো দেশটা যখন ডিজিটাল হয়ে যাবে, তখন কি হবে জানিস ?
: কি হবে ?
: ধর, কাজের বুয়া ডেকচির ঢাকনা খুঁজে পাচ্ছে না, তখন সে ‘ডেকচির ঢাকনা’ লিখে গুগলে সার্চ দিবে।
: বাহ্ , ভালো তো ।
: আরো আছে। যেমন ধর, পাশে বাসার বাবুটার রক্তে ম্যালেরিয়ার ভাইরাস পাওয়া গেছে। তখন এন্টিভাইরাস নেট থেকে
আপডেট করে প্রতি সপ্তাহে একবার করে পুরো বডি স্ক্যান করে দিলেই চলবে !

ছেলেকে ডেকে বাবা বলল, বল তো আট নং কত?
ছেলে বলল, চুয়াত্তর।
বাবা খুশি হয়ে ছেলের হাতে দশ টাকা দিয়ে বলল, ভেরি গুড ! এটা তোমার বখশিশ !
পাশে বসা বাবার বন্ধু অবাক হয়ে বলল, ও ভুল উত্তর দিল আর তুমি ওকে বখশিশ দিলে !
বাবা বলল, এর আগে আশি বলেছিল। আজ কিছুটা ইমপ্রুভ করেছে তো তাই ……

১০

পুরোনো ঢাকায় এক ভদ্রলোক মোড়ের পান দোকানদারকে পাঁচ টাকা দিয়ে বলল,
: আমার পানে চিকন সুপারি, একটা লবঙ্গ, এলাচ আর মৌরী দিও। আর হ্যাঁ, ভালো করে খয়ের দিও। মিষ্টি মশলাও যদি থাকে দিও। ভালো কথা, পিপারমেন্ট আছে ? থাকলে একটু দিও।
দোকানদার বলল,
:ভাইছাব, আপনি যে এউগা পাঁচটা টাকা দিলেন, হেইডাও কি পানের মধ্যে দিয়া দিমু ?

 

১১

এই সময়ের কিঞ্চিৎ কালো কৌতুক:
কারো মৃত্যু হলে, শোক জানানোর জন্য কালো পোশাক পরে মোল্লা নাসিরুদ্দীনের দেশের লোকেরা।
এক আলো ঝলমল দিনে মোল্লাকে সেই পোশাকে হাঁটতে দেখে একজন বাঁকাসুরে জিজ্ঞেস করল, ‘কেউ মরল নাকি, মোল্লাসাহেব ?’
‘সাবধানের মার নেই,’ বলল মোল্লাসাহেব।
‘কোথায় কখন কে মরছে তা কি কেউ বলতে পারে?’

১২

মোল্লা নাসিরুদ্দীন বাজার থেকে এক সের মাংস কিনে এনে তার গিন্নীকে দিয়ে বলল, ‘আজ কাবাব খাব, বেশ ভালো করে রাঁধ দিকি।’
গিন্নী রান্নাটান্না করে লোভে পড়ে নিজেই সব মাংস খেয়ে ফেলল।
কর্তাকে তো আর সে কথা বলা যায় না, বলল,
‘বেড়ালে খেয়ে ফেলেছে।’
‘এক সের মাংস সবটা খেয়ে ফেলল?’
‘সবটা।’
বেড়ালটা কাছেই ছিল। নাসিরুদ্দীন সেটাকে দাঁড়িপাল্লায় চড়িয়ে দেখল ওজন ঠিক এক সের।
‘এটাই যদি সেই বেড়াল হয়, তাহলে মাংস কোথায়?
আর এটাই যদি সেই মাংস হয়, তাহলে বেড়াল কোথায় ?

১৩

গতকাল বাৎসরিক ট্যাক্সের জন্য সঞ্চয়পত্র কিনতে ব্যাংকে ঘণ্টা দুয়েক সামাজিক দূরত্বের লাইনে তিতবিরক্ত। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মোল্লা নাসিরুদ্দীন হোজ্জার এক গল্পের কথা মনে পড়ল।
‘ ধার না দিয়েই সুদ !’
তো হয়েছে কী,একবার মোল্লার বিবির অসুখ। হাতে টাকাপয়সা নেই, কারো কাছে পাওয়ার ভরসাও নেই। কী করে হেকিম এনে চিকিৎসা করাবে সেই চিন্তায় জেরবার মোল্লা।
রাতে শোয়ার সময় আল্লাহর নামে বহু মিনতি করল, ‘তুমি ছাড়া এই বিপদে আর কেউ নাই দয়াময়; কিছু টাকার আমার ভীষণ দরকার। যেকোন উপায়েই হোক কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দাও। এমনিতে না দাও ,অন্তত: ধার হিসাবে দাও।’
পরদিন খুব ভোরে দরোজায় কড়া নাড়ার আওয়াজে ঘুম ভাঙল মোল্লার।
দরজা খুলে দেখে সামনে পাড়ার সব বিশিষ্ট ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন।
একবুক আশা নিয়ে মোল্লা তাঁদের আগমনের হেতু জানতে চাইলে তারা বলল,
‘মোল্লা সাহেব, এতো সকালে আসার কারণ আমরা যাঁর দয়ায় বেঁচে আছি, পৃথিবীর আলো-বাতাস ভোগ করছি তাঁর সেবায় এলাকায় একটা মসজিদ নির্মাণ করতে চাই। আপনাকে মোটা চাঁদা দিতে হবে।’
মোল্লা তখন খেদের সুরে বললেন, ‘হায় আল্লাহ্ ! ধার না দিয়েই সুদ ! গতকাল রাতে ঠিক এমন কামনা করে তো ঘুমাইনি খোদা !’

করোনা ও কলকাতার পকেটমার

আম্মার কাছে শোনা।

সেকালে কোলকাতার পকেটমারদের নাকি খুব সুখ্যাতি ছিল। একই রকম ছিল গুলিস্তানের পকেটমারদের।
একবার গুলিস্তানের পকেটমারদের সুনাম শুনে মফস্বলের এক লোক গুলিস্তানে এল ব্যাপারটা দেখার জন্য।
সে বুকপকেটে একটা একশ টাকার নোট নিয়ে সারা গুলিস্তানে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সারাদিন কেটে গেল কিন্তু কোনো খবর নেই! পকেটের টাকা পকেটেই পড়ে রইল।

সন্ধ্যায় একটা পানদোকান থেকে পান কিনতে কিনতে দোকানদারকে বলল, কই হে ! গুলিস্তানের পকেটমাররা নাকি দেশের সেরা , কিন্তু তার তো কোনো পরিচয় পেলাম না। একটু দূরে দাঁড়ানো এক ছোকরা তখন বলল, জাল নোট নিয়ে ঘুরে বেড়ালে কে আপনার পকেট মারবে?
এটার পুরনো ভার্সনে, এক বাঙাল পকেটমার নকল সোনার বালা নিয়ে সারাদিন কোলকাতা শহরে ঘুরে সন্ধ্যায় সেই একই আফসোস, কই এরা নাকি সবার সেরা তার তো কোন পরিচয় পেলাম না। পাশের বেঞ্চে বসা কোলকাতার পকেটমার বলল, দাদা! সারাদিন পকেটে করে নকল সোনার বালা নিয়ে ঘুরলে কী করে হবে ! যদিও সন্দেহ হওয়াতে ,আমাদের তিন এলাকার লোক আপনার বালা পরীক্ষা করে দেখেটেখে আবার রেখে দিয়েছে !

এখন নানা কাজে বাসার বাইরে যেতেই হচ্ছে। কতকিছুতে হাত দিচ্ছি। কীসে করোনা ভাইরাস আছে , শরীরের কোথায় যে স্পর্শ লাগছে, কতোখানি নিজেকে জীবাণুমুক্ত করতে পারছি , কে জানে ! নাকি করোনা ভাইরাস সেই পাকনা পকেটমারের মতো কানের কাছে ফিসফিস করছে, ও সোনা ! তোমাকে তো কয়েকবার ছুঁয়ে গেছি, ভিতরে ঢুকে বের হয়েও গেছি, টের পাও নি ?

পাণিগ্রহণ।।নবনীতা দেবসেন

কাছে থাকো। ভয় করছে। মনে হচ্ছে
এ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়। ছুঁয়ে থাকো।
শ্মশানে যেমন থাকে দেহ ছুঁয়ে একান্ত
স্বজন। এই হাত, এই নাও হাত।
এই হাত ছুঁয়ে থাকো, যতক্ষণ
কাছাকাছি আছো, অস্পৃষ্ট রেখোনা।
ভয় করে। মনে হয়, এ মুহুর্ত বুঝি সত্য নয়।
যেমন অসত্য ছিল দীর্ঘ গতকাল
যেমন অসত্য হবে অনন্ত আগামী।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথোপকথন

” আরও বললেন, ও-সব কিছুই শেষ পর্যন্ত আলাদা দাগ কাটে না, ও-সব অভিজ্ঞতাই মানুষকে পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যায়।
আমি জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, এই তো আমার ছেলে বসে আছে ( ওঁর পুত্র এবং ঔপন্যাসিক সনৎ বন্দোপাধ্যায় কাছেই বসেছিলেন), ওঁর সামনেই বলছি, আমি অনেক ভোগের মধ্যে গিয়ে দেখেছি, মদ খেয়েছি, নানান নেশা করেছি—কিন্তু এ-সব কোনো কিছুতেই অভিভূত হয়ে পড়িনি। দুঃখ-কষ্টই বলো আর ভোগই বলো, এর সব কিছুতেই ছড়িয়ে আছে নিজেকে প্রকাশের আনন্দ, এঁরা ‘গণদেবতা’র মতো পুরষ্কার দিয়েছে—মনে পড়ছে, ‘গণদেবতা’ আর ‘পঞ্চগ্রাম’ -এর লেখার দিনগুলোর কথা। ‘গণদেবতা’র এই পাতাগুলো যেদিন লিখি–‘গণদেবতা’ বইটি খুলে তারাশঙ্কর কয়েকটি পাতা পড়ে শোনালেন, তারপর বললেন, তারপরদিন সেই বিখ্যাত সাইক্লোন ওঠে, সেই ১৯৪২ সাল-এর সাইক্লোন—সাইক্লোনের দিকে আমার চোখ ছিল না , সন্ধেবেলা বাড়ি ফেরার পথে আমি নিজের লেখার কথাই ভাবছিলুম—নিজেকে প্রকাশ করার চেষ্টা করছি, সেই ব্যাকুলতায় চোখে জল এসে যাচ্ছিল.”

জ্ঞানপীঠ পুরষ্কার পাওয়ার পরে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথোপকথন। [[ জীবনের বর্ণচ্ছটা। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।। ]]