অভিজ্ঞতাটা আমার অগ্রজের।

বাড়ির পাশে বাজারে ছোট চাচার এক বন্ধুর কসমেটিকসের দোকান ছিল। আমি ও ভাইয়া দুজনেই স্কুলে পড়ি।মাঝে সাঁঝে ছোটখাটো কিছু একটা, এই যেমন শীতের দিনের ভেসলিন বা ভ্যানিসিং ক্রিম কিনতে আম্মা দোকানে পাঠান। দোকানের মালিক হ্যান্ডসাম যুবক ; সারাক্ষণ কিশোরী তরুণীদের ভিড় লেগে থাকে। তবে মহিলা ক্রেতারা যে দাম নিয়ে বড্ড দরকষাকষি করে সেটা ওখানে দাঁড়ালেই টের পাওয়া যেত। হয়তো, ১ টাকা ডজনের কালো হেয়ার ক্লিপ যেটা এমনিতেই সস্তা ; সেটার দাম কমানোর জন্যও এরা এক ঘণ্টা পার করত!

তো ভাইয়া কী যেন একটা কিনতে গেছে , সেটার কথা বলে অপেক্ষা করছে। আগে থেকেই দুইজন তরুণী দোকানের অর্ধেক কসমেটিকস নামিয়ে সামনের ডিসপ্লের উপর স্তূপ করে রেখেছে। অবশেষে দুটি পণ্যের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। দামাদামি আগেই কিছুটা হয়েছিল। ফাইনালি চাচা খুব দ্রুত লয়ে বললেন, আপনাদের কাছে কি আর দাম রাখব আপা ! এটা সাত আর এটা পাঁচ,মোট পনের টাকা ; আপনি তের টাকা দিয়েন। মহিলা ভীষণ খুশী হয়ে ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ১৩ টাকা বের করে দিয়ে চলে গেলেন।

ভাইয়া আর সেই চাচার বাকী কথোপকথন কি হয়েছিল জানি না। তবে এই ধরণের কাহিনী যে হয় সেটা বুঝলাম , যেদিন থেকে আমি বউয়ের সঙ্গে বাজার করা শুরু করলাম !

প্রকাশকালঃ ১১ই ডিসেম্বর,২০১৯