প্রথম আলোর ইদানীং কিছু কীর্তিকলাপ খুবই সন্দেহজনক, অস্বস্তিকর, নিন্দার্হ ! ফেসবুকের আমার বন্ধুলিস্টের একটা বড়োঅংশ প্রথম আলোর কীর্তিতে যারপরনাই তিক্ত বিরক্ত। হাসনাত আব্দুল হাই এর ছোট গল্প, থেকে শুরু করে হালের বোম্বের জিয়া খানের দীর্ঘায়িত সংবাদ। বহুদিন ধরে আমি নিজে প্রথম আলোর খেলার পাতার ভক্ত। অন্য কিছুনা, শুধুমাত্র খেলার পাতার জন্যই আমি , প্রথম আলো পড়তাম। দলাদলির ঠেলায় এখন কোন পত্রিকাই পড়তে মন চায় না ।

প্রথম আলোর প্রসঙ্গে ফিরে আসি।

এক ডাক্তার বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিল। বন্ধু চট্টগ্রামের সরকারী ডাক্তার, চর্ম বিশেষজ্ঞ। সঙ্গত কারণেই তাঁর নামোল্লেখ করা থেকে বিরত থাকছি । তার ও তাঁর এক কলিগের নামে প্রথম আলোর স্থানীয় সংবাদদাতা নামসহ খবর দিল যে রাত্রের ডিউটিতে ওরা থাকেন না। ডাক্তার বন্ধুটি সাংবাদিকের সাথে ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলেন। বোঝানোর চেষ্টা করলেন, ওই দিন উনি ছুটিতে ছিলেন। সাংবাদিক ভদ্রলোক তার সাথে রীতিমতো দুর্ব্যবহার ব্যবহার করলেন। বন্ধুর প্রশ্ন ছিল দুইটি, প্রথমত: সাংবাদিকের দায়িত্ব ছিল কিনা তার সাথে একবার যোগাযোগ করে খবরটা প্রকাশ করা। আর দ্বিতীয়ত: একজন চর্ম বিশেষজ্ঞের রাত্রিকালীন জরুরী চিকিৎসার কী প্রয়োজন থাকতে পারে !
বন্ধুটির সাথে সাংবাদিকের কথোপকথনে সাংবাদিক তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন –প্রথম আলোর সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতারও তোয়াক্কা করেন না। উনারা অনেক জনপ্রিয়, পাবলিকরে যা খাওয়াইবেন তাই খাবে। এ তো –রীতিমতো পাওয়ার প্লে !

ওয়েল প্রথম আলো, তোমাদের জনপ্রিয়তার কারণে যদি ধরাকে সরা জ্ঞান করো ,মনে করিয়ে দিই – তোমাগো আগেও বহু বহু জনপ্রিয় পত্রিকা ছিল, তাঁদের খোঁজখবর ও এখন কেউ নেয় না। বেশী পাওয়ার প্লে করতে যাইও না এর খেসারত অনেক ভারী পড়ে যাবে !

প্রথম প্রকাশঃ ২৫শে জুন,২০১৩