by Jahid | Nov 30, 2020 | Uncategorized
কাছে থাকো। ভয় করছে। মনে হচ্ছে
এ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়। ছুঁয়ে থাকো।
শ্মশানে যেমন থাকে দেহ ছুঁয়ে একান্ত
স্বজন। এই হাত, এই নাও হাত।
এই হাত ছুঁয়ে থাকো, যতক্ষণ
কাছাকাছি আছো, অস্পৃষ্ট রেখোনা।
ভয় করে। মনে হয়, এ মুহুর্ত বুঝি সত্য নয়।
যেমন অসত্য ছিল দীর্ঘ গতকাল
যেমন অসত্য হবে অনন্ত আগামী।
by Jahid | Nov 28, 2020 | Uncategorized
পতিত স্বৈরাচার লেজেহোমো এরশাদ আমাদের সময়ের কুখ্যাত ভিলেন। আকাঙ্ক্ষিত শাস্তি না পেলেও – লেজুড়বৃত্তি, উঞ্ছবৃত্তি করে তার শেষের দিনগুলো কাটছে, এই ভেবে আমরা সান্ত্বনা পাওয়ার চেষ্টা করি।
কিন্তু একটা ব্যাপারে এই ভণ্ডকে আমি এখনো অভিসম্পাত করি ; ধর্মের ধোঁয়া তুলে সাপ্তাহিক ছুটি রবিবার থেকে শুক্রবার করে দেওয়া। ৯০ এর পরের এই ২৮ বছরেও কোন সরকারের সাহস হয়নি স্পর্শকাতর কিন্তু অযৌক্তিক ব্যাপারটিকে পুনরুদ্ধার করার।
তৃতীয় বিশ্বের রফতানি নির্ভর দেশের সংশ্লিষ্ট একটা সেক্টরে গত দুই-যুগ ধরে প্রিয়জনের সান্নিধ্য ছেড়ে সম্ভাব্য মধুরতম কিছু সময় শুক্রবারের অনিচ্ছুক অফিসে বিলিয়ে যাচ্ছি।
প্রকাশকালঃ ২রা জুলাই,২০১৯
by Jahid | Nov 24, 2020 | Uncategorized
জীবনযাপনের ক্লান্তি আছে! জীবনের ক্ষয় আছে, গতিহীনতা আছে, বাঁধা আছে, ক্লেদ আছে।
ওই যে হয় না, মেশিন চললে শুধু প্রোডাক্টই হয় না, তাতে অবধারিতভাবে জং ধরে,ধুলো জমে, গতি কমে আর সাথে সাথে কিছু উপজাত বা বাইপ্রোডাক্ট তৈরী হয়।
উপভোগ্য জীবনে সারাক্ষণ প্রাপ্তির পাশে দুই একটা অপ্রাপ্তি সবারই আছে ।সকাল থেকে রাত্রি, প্রাতঃকৃত্য, খাওয়া, হেঁটে চলে কর্মস্থলে আসা– গোটা ত্রিশেক কাজতো ঠিকমতোই হচ্ছে ; এর মাঝে ছোটবড় কোনকাজে বাধা আসতে পারে, আকাঙ্ক্ষার অপূর্ণতা থাকতেই পারে, সেটাকে বড়ো করে না দেখলেই হয় !
সবার জীবন উৎপাদনশীল হয়ে উঠুক, ক্লান্তি-ক্লেদের সময়টা পরিবারের কাছের লোকের ভালোবাসার তেলে ঘষেঘষে তুলে ফেলুক সবাই। প্রাপ্তিটাকে বড় করে দেখুক সকলে, শুভ নববর্ষ।
১লা জানুয়ারী ২০১৬
by Jahid | Nov 22, 2020 | Uncategorized
আমি জাহিদুর রহমান জাহিদ। পেশায় একজন প্রকৌশলী। শিল্পকারখানায় ক্যারিয়ার শুরু করে পরবর্তীতে দীর্ঘদিন কর্পোরেট অফিসে কর্মরত।
আমার জন্ম পুরনো ঢাকায় ; পড়াশোনার শুরু ঢাকার মিরপুরের বিভিন্ন স্কুলে। পরে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার এবং আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যার আমাদের বাংলা পড়াতেন। সায়ীদ স্যারের কলেজ কর্মসূচী দিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে পরিচয়। বছর দুয়েক বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টতা সারাজীবনের জন্য জড়িয়ে ফেলেছে আমাকে। কলেজ পার হয়েই এদিক সেদিক ঘুরেফিরে ‘টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ , অধুনা ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলস’- এ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শুরু। কর্মজীবনে, সিনহা টেক্সটাইল, বেক্সিমকো টেক্সটাইল, ওপেক্স গ্রুপ,টেক্স-ইবো ইন্টাঃ ও মাদারকেয়ার সোর্সিং বিডি-তে কাজ করেছি।
আমার স্ত্রী কৃষিবিদ রোমানা আফরোজ মিনা এবং দুই কন্যা। বড়কন্যা জেবা ফারিন, ছোটকন্যা শ্রেয়া নুসরাহ।
ব্লগ ও ফেসবুকে যৎসামান্য লেখালেখির অভ্যাস তৈরি হয়েছে সদ্যই ২০১৩ সাল থেকে। ঠাকুরমার ঝুলির পরেই মূলতঃ সেবা প্রকাশনী দিয়ে বই পড়ার হাতেখড়ি আমাদের প্রজন্মের। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সায়ীদ স্যারের সংস্পর্শই চলতি ধারার বই পড়ার বিকল্প হিসাবে বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যের চিরায়ত সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী করেছে আমাকে।
নিজের সম্পর্কে পরবর্তীতে সংযোজন, পরিবর্ধন করা হবে এই কামনা করছি।
আমার ব্লগের সকল পাঠক/পাঠিকাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
সাম্প্রতিক মন্তব্য