by Jahid | Nov 29, 2020 | ছিন্নপত্র, দর্শন
আমাদেরকে দর্শন ও চিন্তার জগতের বেসিক আগে জানতে হয় ; তারপর সেটার উপর ভিত্তি করে আমরা চিন্তাকে আরো বিস্তৃত করতে পারি !
ধরুন , একটা বয়স পর্যন্ত শিশুদের সমস্ত মনোযোগ থাকে শুধুমাত্র মিষ্টান্নের প্রতি। খাওয়ার জন্য আরো যে হাজার বিকল্প স্বাদ চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, সেটা বুঝতে বয়স ও অভিজ্ঞতা লাগে।
যখন আমাদের মানসিক বয়স বেসিক চাহিদা পূরণ করার পর পরিপার্শ্বের বৈচিত্রে মুগ্ধ হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করে ; তখনই আমাদের জানার তৃষ্ণা মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ জ্ঞানের মুখোমুখি করে আমাদেরকে।
মিষ্টি ছাড়াও যে টক, ঝাল, তিতা ও স্বাদহীনতার স্বাদ অবারিত ছড়িয়ে আছে তা গ্রহনের জন্য আপনি ও আপনারা উন্মুখ হয়ে উঠুন। জ্ঞানের ভুরিভোজনে আমাদের সকলের শৈশব অতিক্রান্ত হোক! শুভকামনা !
প্রকাশকালঃ ২৫শে ডিসেম্বর,২০১৯
by Jahid | Nov 29, 2020 | ছিন্নপত্র, দর্শন
কর্মক্ষেত্রের হে তরুণের দল!
আমাদের চল্লিশোর্ধদের কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা দেখে আমরা অমানবিক মেশিন হয়ে গেছি বলবেন না অথবা অযথা বিস্মিত হবেন না।
এই বিস্ময় আমাদেরও ছিল ! আমরাও উঁচু গলায় বলেছি -অমুক স্যার তো নিজের পরিবারের কাছে অপ্রয়োজনীয় —, আছে খালি অফিস আর কাজ !
তমুক স্যারের কি আর আড্ডা দেওয়ার কোন বন্ধু আছে ! নাকি বউ-বাচ্চাকে সময় দিতে হয় ! নাকি , রাত জেগে মুভিজ দেখতে হয় ! এই আবালে সকাল সকাল সময়মতো অফিসে আসবে না তো কী , আমি আসব ?
যে কথাটা, হে তরুণ, আপনি ভুলে যাচ্ছেন—আমাদের মূলত সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সময় আছে কষ্টেসৃষ্টে বছর পনের ! তারপরের বাকী বছরগুলো আধক্ষয়া শরীর টেনে টেনে পার করা! আসন্ন বার্ধক্যে আমাদের নিজেদের চিকিৎসার ও সন্তানদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব রাষ্ট্র নিলে হয়তো দম ফেলবার ফুরসত থাকত ! সে আর হচ্ছে কোথায় !
সামনের মাত্র অল্প কয়েকটি বছরের অনিশ্চয়তা আর পাহাড় সমান কাজের বীভৎস চেহারা— না দিচ্ছে আমাদেরকে জীবনকে উপভোগ করতে ; না দিচ্ছে আপনাদের মতো তারুণ্যের আলস্যে মেতে থাকতে !
আমাদের এই অতরুণসুলভ, মেপে চলা , তাড়াহুড়োর কর্মদক্ষতার পিছনের করুণ কাহিনী উপলব্ধি করতে হলে আপনার বয়স পন্চাশের কাছাকাছি আসতে হবে !
তার আগ পর্যন্ত, আমাদের তাচ্ছিল্য দেখানোর সঙ্গে সঙ্গে সমবেদনা দেখাতে ভুলবেন না, এই কামনা করতেই পারি !
প্রকাশকালঃ ২৪শে ডিসেম্বর,২০১৯
by Jahid | Nov 29, 2020 | দর্শন, সমাজ ও রাজনীতি
১। মেয়েদেরই বিস্তর অলংকার সাজে এবং বিস্তর মিথ্যাও মানায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।।
২। চমৎকার একটি প্রশ্ন, যার কোন উত্তর নেই।প্রশ্নটি হলো, একজন নারী কি চায় ? সিগমুন্ড ফ্রয়েড।।
৩। একবার পুরুষের সমান হলেই নারী তারচেয়ে শ্রেষ্ঠ হয়ে যায় । সক্রেটিস।।
৪। কথা বলার যন্ত্র আসলে আমি নই, স্বয়ং ঈশ্বরই নারী জাতির মাধ্যমে সৃষ্টি করেছেন। আমি শুধু এমন একটা যন্ত্র তৈরি করেছি যেটাকে ইচ্ছেমত থামিয়ে দেওয়া যায়। টমাস আলভা এডিসন।।
৫। একটি স্থাপত্যকর্ম সম্পর্কেই আমার কোন আপত্তি নেই, তার কোনো সংস্কারও আমি অনুমোদন করি না। স্থাপত্যকর্মটি হচ্ছে নারীদেহ। হুমায়ুন আজাদ।।
৬। সেইসব নারী পুরুষের সমকক্ষ হতে চায়, যাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। মেরিলিন মনরো।
৭। মধ্যবিত্ত পতিতাদের নিয়ে সমস্যা হচ্ছে তারা পতিতার সুখ ও সতীর পুণ্য দুটোই দাবি করে। হুমায়ুন আজাদ।।
৮। মেয়েদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু হলো ডায়মন্ড। মেরিলিন মনরো।।
৯। আমার মনে হয় যেসব পুরুষের কান ফুটো করা, তারা বিয়ের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুত। কারণ তারা ব্যাথা সহ্য করেছে এবং অলঙ্কারও কিনেছে। রিটা রুডনার, আমেরিকান অভিনেত্রী।।
১০। অন্ধকারে সব নারীই সুন্দরী। পুতার্ক , রোমান ধর্মযাজক।।
১১। মেয়েছেলেকে লেখাপড়া শেখালে কী আর রক্ষা আছে ? এক ‘আন’ শিখেই তাদের যন্ত্রণায় টেকা দায়। চাল আন, ডাল আন, তেল আন সারাদিন এই করেই অস্থির। রামনারায়ণ তর্করত্ন, নাট্যকার।।
১২। আগে কাননবালারা আসতো পতিতালয় থেকে, এখন আসে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। হুমায়ুন আজাদ।।
১৩। এ সংসারে যৌবনের সমতুল্য আর কি আছে ? কিন্তু এমন জিনিসটিকে বাচ্চাকাচ্চার জন্যে নষ্ট করা সত্যিই অপরাধ। জর্জ বার্নার্ড শ।।
১৪। গত দু’শো বছর গবাদিপশুর যতটা উন্নতি হয়েছে নারীর ততটা উন্নতি ঘটেনি। হুমায়ুন আজাদ।।
১৫। আমি নারী বিদ্বেষী তার প্রথম কারণ তারা নারী, দ্বিতীয় কারণ তারপরেও তারা নারী, তৃতীয় কারণ শেষ পর্যন্ত তারা নারী। বার্টান্ড রাসেল।।
১৬। রমণীর অনর্থক হাসি দেখিয়া অনেক পুরুষ অনর্থক কাঁদে , অনেক পুরুষ ছন্দ মিলাইতে বসে, অনেক পুরুষ গলায় দড়ি দিয়ে মরে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।।
১৭। জন্মাবার সময় থেকে আঠারো বছর পর্যন্ত মেয়েদের দরকার ভালো বাবা-মা, উনিশ থেকে পঁয়ত্রিশ পর্যন্ত সুন্দর মুখ, ছত্রিশ থেকে পঞ্চান্ন পর্যন্ত নারীর ভূষণ ব্যক্তিত্ব এবং পঞ্চান্নের পর বৃদ্ধার চাই নগদ টাকা। ক্যাথলিন নরিস, আমেরিকান কবি।।
১৮। সবচেয়ে ভালো স্বামী হলো পুরাতাত্ত্বিক । স্ত্রী যতই পুরনো হবে ততই তার আগ্রহ বাড়বে। আগাথা ক্রিস্টি, লেখক।।
১৯। স্বামীরা রুটির ব্যবস্থা করবে এটা আশা করা দোষের নয়। কিন্তু অনেক স্ত্রী চান তাদের স্বামীরা হোক রুটির কারখানা। হামফ্রি বোগার্ট, আমেরিকান অভিনেতা।।
২০। যে পুরুষ স্ত্রীর ড্রেসিং রুমে যান হয় তিনি দার্শনিক , নইলে হাঁদারাম। বালজাক।।
by Jahid | Nov 29, 2020 | দর্শন
১। তরুণদের বড্ড ভালো লাগে। ওদের মধ্যে যে এখনও কামিনী-কাঞ্চনের মোহ, বিষয়বুদ্ধির লোভ ঢুকতে পারে নি। ওরা যেন এক একটা নতুন হাঁড়ি , নিশ্চিন্তে দুধ রাখা যায় ।
২। স্বার্থপরদের ঈশ্বর চিন্তা হবে কি করে ? তাদের যদি বলো, এখানে মোত। কিছুতেই মুতবে না।পাছে তোমার যদি কোনো উপকার হয়। আবার এক পয়সার সন্দেশ দোকান থেকে আনতে দিলে তাও চুষে এনে দিবে।
প্রকাশকালঃ ১১ই ডিসেম্বর ,২০১৯
by Jahid | Nov 29, 2020 | দর্শন
১। ‘ বিদ্বান লোকই সবচেয়ে অলস। সে পড়াশোনা করেই সময় নষ্ট করে।’
জর্জ বার্নার্ড শ।
২। ‘কারো উদ্ধৃতি দিতে পারার ক্ষমতা উপস্থিত বুদ্ধির ঘাটতি পুষিয়ে দেয়।’
সমারসেট মম।
৩। ‘তুমি এমন কোনো বই লেখ না কেন যা মানুষ পড়তে পারে?’
নোরা জোনস, স্বামী লেখক জেমস জয়েসের উদ্দেশ্যে ।
৪। ‘স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো বই পড়ার সময় সাবধান। ছাপার ভুলের কারণে আপনার মৃত্যু হতে পারে।’
মার্ক টোয়েন।
৫। ‘দুর্নীতি এবং অশ্লীলতাই সাহিত্যের প্রাণ । এই দুইটি সুন্দর হয়েছে যে প্রতিভার হাতে তাকেই আমরা বলি অপরাজেয় কথাশিল্পী।’
প্রবোধকুমার সান্যাল। সাহিত্যিক।
৬। ‘বছর দশেক লেখালেখি করার পর বুঝলাম, এ ব্যাপারে আমার কোনো প্রতিভাই নেই। অথচ ততোদিনে আমি বিখ্যাত হয়ে গেছি।’
মার্ক টোয়েন।
৭। ‘গাদা গাদা বই আমাদের মূর্খ করে তুলেছে।’
ভলতেয়ার।
প্রকাশকালঃ ১১ই ডিসেম্বর,২০১৯
by Jahid | Nov 29, 2020 | দর্শন, সাম্প্রতিক
মাস্তানি সারা পৃথিবী জুড়ে খুব জনপ্রিয় আয়েশি একটা জীবিকা । ধীরে ধীরে কঠিন পরিশ্রমে করা কারো সঞ্চিত অর্থ বা সম্পদ কেড়ে নেওয়া দারুণ লাভজনক ব্যবসা। দুতিনদিন আগে অফিসে আসার সময় দেখলাম কালসি রোডের মাঝে অনেকগুলো মোটর বাইক আর অসংখ্য পাতি মাস্তানে রাস্তা ভরা।
বহুবছর আগে থেকে যে টাইপটা দেখে আসছি, সেটা এখনো আছে ! চ্যাংড়া টাইপ রংচঙে পোশাকের বেশকিছু ছেলেপেলের সঙ্গে গালের চামড়া পোড়া চল্লিশোর্ধ কয়েকজন মাঝারি নেতা। পুরো ব্যাপারটাতে একটা কদর্যতা আছে। আমার মতো সংবেদনশীল মানুষের পক্ষে ব্যাপারটা বিরক্তিকর ও অসহনীয়। আমি তো পৃথিবীর কাছ থেকে কিছুই কেড়ে নেওয়া শিখি নাই। আমাকে তো কঠিন পরিশ্রমের বিনিময়ে সব কিছু করতে হয়েছে।
সায়েন্স ফিকশন মুভিগুলোতে দেখা যায়, সুদূর ভবিষ্যতেও গ্যালাক্সিতে মাস্তান হিংস্র গোষ্ঠী থাকবে, যাদের কাজই হবে এর ওর স্পেস-শিপ থেকে শুরু করে যা পাওয়া যায় কেড়ে নেওয়া।
সান্ত্বনা পাওয়ার জন্য এভাবে চিন্তা করা যায় যে, পৃথিবী আদিম কাল থেকে কিছু অনৈতিক নিয়মকানুনের ভিতর দিয়ে চলে এসেছে । এখনো চলছে, দূর ভবিষ্যতেও চলবে।
প্রকাশকালঃ ৯ই ডিসেম্বর,২০১৯
সাম্প্রতিক মন্তব্য