হল লাইফে এক বন্ধু , মাঝে মাঝে ধর্ষণ নিয়া হালকা রসিকতা করতো।” When rape is inevitable , you better enjoy it ; জোর কইরা মিষ্টি খাওয়াইলে কি, মিষ্টির স্বাদ তিতা হইব”–টাইপের কথাবার্তা ! হয়তো, বয়সটাই ওইরকম ছিল, সব কিছু নিয়া ফাজলামো করার। আমার ধারণা , এখনকার ওই বয়সের ছেলেদের মধ্যে ওর মতো এক দুইজন পাওয়া যাবে।

আমাদের হলের পাশে আরেকটা ছাত্রাবাস ছিল। অল্প শিক্ষিত, চাঁদাবাজ, ছাত্র রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি করা কিছু মস্তান ছিল ওদের নেতৃত্বে । আমরা অনেকখানি বিরক্তির সাথে ওদের নাম উচ্চারণ করতাম। মানসিক তফাৎ ছিল হাজার মাইলের।

একদিন ঐ বন্ধুরে ত্যাক্ত হইয়া কইলাম-‘ দোস্ত, তুই এত মেধাবী ছাত্র। সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হইতাছস। ধর গিয়া , পাশের অই মস্তানদের মধ্যে একজন সমকামী আছে। সে তোরে, সন্ধ্যার সময় কিডনাপ কইরা তোর পুটু মাইরা দিলো! ‘

তোর শারিরীক ক্ষতি হয়তো তেমন কিছু হইল না। কিন্তু তোর যে মানসিক বিপর্যয় হবে ; সেইটা অপূরনীয় ! সারাজীবনের জন্য তুই সমাজে অচ্ছুৎ, বিকলাঙ্গ হয়ে বেচেঁ থাকবি।
বন্ধু ব্যাপারটা ভিজুয়ালাইজ করলো কিনা জানিনা। কিন্তু এর পর আর কখনো তারে ধর্ষণ নিয়া রসিকতা করতে দেখি নাই।

প্রকাশকালঃ ১৭ই জানুয়ারি, ২০১৭