by Jahid | Nov 28, 2020 | কর্পোরেট অবজার্ভেশন
অনেকদিন আগে ট্রেডের এক বড়ভাই কথাচ্ছলে আমাদের কর্পোরেট জীবন নিয়ে বলেছিলেন–‘ আমাদের জীবন অনেকটা সঙ্গীতশিল্পীদের মতো।
যতক্ষণ কণ্ঠে গান আছে,ধবধবে চাঁদোয়া, পরিষ্কার স্টেজ, যন্ত্রের টুং টাং , গুণমুগ্ধ শ্রোতা, হাততালি, কতকিছু! ‘কণ্ঠে গান নাই, কে শুনবে ওই মাধুর্যহীন, বেসুরো , রিক্ত শূন্য ঘর্ঘরে গলার আওয়াজ! যতক্ষণ কোম্পানির জন্য কাজ করতে পারছেন; সবই আছে !বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার কাজ বা যোগ্যতার কমতি হলে আপনার অবস্থা সেই রিক্ত কণ্ঠের সঙ্গীত শিল্পীর মতোই । সেইসব রাজসিক মুহূর্তগুলো তখন শুধুই স্মৃতি !
প্রকাশকালঃ ৪ঠা এপ্রিল,২০১৭
by Jahid | Nov 28, 2020 | দর্শন, সাহিত্য
8 collected Short Stories received from one of my friend– having in depth meanings! I am feeling lethargic to translate in Bengali ; I know you would be able to feel the depth !
(1) Those who had coins, enjoyed in the rain. Those who had notes, were busy looking for shelter.
(2) Man and God both met somewhere. Both exclaimed, “My Creator !”
(3) He asked, are you a Hindu or Muslim? The response came, “I am hungry!”
(4) The fool didn’t know it was impossible. So he did it !
(5) “Wrong number!” Said a familiar voice!
(6) What if God asks you after you die, “So how was heaven?”
(7) They told me that to make her fall in love I had to make her laugh. But every time she laughs, I am the one who falls in love.”
(8) We don’t make friends anymore….. We Add them nowadays!
by Jahid | Nov 28, 2020 | ছিন্নপত্র
স্কুলজীবনে সবচেয়ে বেশী সন্ত্রস্ত থাকতাম রণজিৎ কুমার মৌলিক স্যারকে নিয়ে। তাঁকে নিয়ে এতো বেশী তিক্ত মধুর স্মৃতি , এখনো যদি স্কুল ফ্রেন্ডরা একসাথে হই, রণজিৎ স্যারের কথা উঠবেই উঠবে।তিনি যেমন রাশভারী ছিলেন ,তাঁকে ত্যক্ত করার মতো উপাদানও ( ছাত্র ও ছাত্রদের আচরণ, আর কী! ) আমাদের ক্লাসে কম ছিলনা।
আমাদের এক বন্ধু ছিল মুকুল, অপ্রাসঙ্গিক কথা বলায় ওর জুড়ি মেলা ভার। স্যার হয়তো ভয়েজ ন্যারেশন পড়াচ্ছেন, মুকুল মাঝখানে দাঁড়িয়ে ‘স্যার একটা প্রশ্ন ছিল’ বলে সন্ধি-সমাস নিয়া ত্যানা প্যাঁচানো শুরু করলো।
মুকুলকে দেওয়া স্যারের অনেকগুলো ঝাড়ির মধ্যে একটা ভীষণ জ্বলজ্বলে।
সেবার ও মুকুল ত্যানা প্যাঁচানো শুরু করতেই, স্যার কেন জানি না অনেকক্ষণ ধরে খুব মন দিয়ে শুনলেন।
বললেন , ‘কথা শেষ হইছে?’
‘ জী স্যার !’
স্যার খুব খুব স্বাভাবিক গলায় ‘মুকুল তোর দেশের বাড়ি কোথায়?’
জেলার নাম বললো মুকুল।
‘শোন্ , তোদের ওইখানে খাঁটি ভালো ঘি পাওয়া যায়?’
‘জী স্যার ’
‘তোর বাপ্রে কবি, খাঁটি ঘি নিয়ে আসতে।’
আমরা তখনো বুঝতে পারছি না , ঘটনা কোনদিকে যাচ্ছে।
‘ভোরে ঘুম থেকে উঠবি। এক টেবিল চামচ ঘি , সঙ্গে একটু চিনি দিবি চামচের উপর। এইভাবে কয়েকমাস খাবি।
মুকুলের বিনীত প্রশ্ন ‘কিন্তু স্যার এইটা খাইলে কী হবে?’
‘শোন্ মুকুল, এইটা পাগলামির ওষুধ , এইটা করলে তোর পাগলামি সারবে ! কারণ তুই একটা পাগল !’
এইবার সারা ক্লাস মাথা নিচু করে হো হো করে হেসে উঠলাম এবং অনেকে হাসি চাপার ব্যর্থ চেষ্টা করে গেলাম !
সাম্প্রতিক মন্তব্য