by Jahid | Nov 26, 2020 | ছিন্নপত্র
আমার দুই টুনটুনির জ্যেষ্ঠাটির সহিত আমার আলাপচারিতা বা নৈকট্য খানিকটা বেশী। ছোট টুনটুনি কিঞ্চিৎ সেলিব্রেটি টাইপ হইয়াছে, যথোপযুক্ত বিষয় বা পরিবেশ-প্রতিবেশ না পাইলে, সে যাহার তাহার সহিত আড্ডার অর্গল না খুলিয়া বরং নীরব হইয়া থাকে। বিদ্যালয়ের পাঠাভ্যাসের খোঁজ লইতে গিয়া প্রসঙ্গান্তরে কৌতূহলবশত জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘পঞ্চম-শ্রেণী পড়ুয়ারা মধ্যবর্তী খাদ্যগ্রহণের সময় কি ধরণের আলাপ-আড্ডা করিয়া থাকে?’
টুনটুনি কহিল, গতকল্য তাহাদের আলোচ্য ছিল কাহার কাহার মাতার ফেসবুক আসক্তি আছে তাহা ! আমি ভিমড়ি খাইতে খাইতে নিজেকে সামলাইলাম ! টুনটুনি কহিল , বিস্ময়কর-ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ বালকবালিকা নাকি হস্ত উত্তোলন করিয়া সায় দিয়াছে যে , তাহাদের মাতারা ফেসবুক আসক্ত ! আমার কন্যা টুনটুনি হস্ত উত্তোলন করে নাই! কেননা সে জানে তাহার মাতা, টুনির ওই আসক্তি নাই। কথা শেষ হইয়াও হইল না শেষ, কাঁধ ঝাঁকাইয়া স্মিতহাস্যে সে বলিল, ভাগ্যিস প্রশ্নটা মাতা লইয়া ছিল, পিতা ফেসবুক আসক্ত কিনা তাহা আলোচ্য হইলে, তাহাকে নাকি দুই হস্ত উত্তোলন করিতে হইত!
সন্ধ্যায় সে আমাকে আবার পাকড়াও করিল, ফেসবুকের ইতিহাস কি কেন ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি সংক্ষেপে যাহা বিশ্বাস করি তাহাই বলিলাম। বলিলাম, মূলত: নতুন প্রযুক্তি সর্বদাই আমাকে আকৃষ্ট করে এবং আমি তাহা সর্বদাই সাদরে বরণ করিয়া লইয়াছি। সমগ্র জনগোষ্ঠী সাদা আলোকোজ্জ্বল সরু ট্রাই-ফসফেট ফ্লুরোসেন্ট বাতি ব্যবহার করা শুরু করিলে আমি কেন হলদেটে টাংস্টেন ফিলামেন্টের বর্তুলাকার বাতি ব্যবহার করিব ? যুগের সাথে তাল মিলাইয়া চলিতে হইবে, ইহাই রীতি।
তবে, কথা থাকিয়া যায়। সকল যুগে সকল প্রযুক্তির শুভঅশুভ দুই দিকই ছিল ও থাকিবে। ব্যবহারকারীরা উহার শুভ-দিক বাছিয়া লইবে নাকি অশুভ-দিক লইয়া মাতামাতি করিবে, তাহা নিতান্তই তাহাদের ব্যক্তিগত অভিরুচি ; ইহাতে প্রযুক্তির দায়ভার কোথায় ?
বুদ্ধিমতী টুনটুনি সহজেই আমি টোনার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝিতে পারিল ও নিজের পড়ায় মনোনিবেশ করিল।
[ প্রকাশকালঃ ২২শে নভেম্বর, ২০১৬ ]
by Jahid | Nov 26, 2020 | সাম্প্রতিক
কনিষ্ঠা টুনটুনিকে গত আগস্টে বিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হইয়াছে। দান দান তিনদান, অদ্যাবধি তিনবার বিদ্যালয় হইতে তাহার নামে অভিযোগ আসিয়াছে।
প্রথম অভিযোগঃ সে তাহার সতীর্থ কয়েকজনকে বলিয়াছে, তাহাদের হাতের লেখা দ্রুততর না হইলে সে তাহাদের বন্ধু হইবে না। উল্লেখ্য , কনিষ্ঠা টুনটুনির হাতের লেখা কিঞ্চিৎ দ্রুতগতির এবং সে আগেভাগে লিখিয়া বসিয়া থাকে। যেহেতু, বন্ধুত্বের অস্বীকৃতি কিছুটা অপমানের , তাই অন্য বালক-বালিকাদের মাতারা তাহা আমার টুনির কাছে অভিযোগ আকারে পেশ করিয়াছে।
দ্বিতীয় অভিযোগঃ কনিষ্ঠা টুনটুনি পেনসিল দিয়া তাহার কতিপয় সতীর্থকে খোঁচা দিয়াছে। ইহাও অভিযোগ আকারে আসিয়াছে। টুনটুনির সঙ্গে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে তাহাকে বোঝানোর বৃথা চেষ্টা করা হইল। বোঝানো হইল বিদ্যালয়ে কিরূপ আচরণবিধি পালন করা উচিৎ। সে খুব আত্মবিশ্বাসের সহিত কহিল, বিদ্যালয়ে সকলেই একে অপরকে পেনসিল দিয়া খোঁচা দেয়। সকলেই অকাতরে হৈচৈ করে, উচ্চস্বরে চিৎকার করে। সে শুধুমাত্র সকলে যাহা করিতেছে , তাহাই করিয়াছে। ইহার মধ্যে সে কোন সমস্যা দেখিতে পাইতেছে না !
তৃতীয় অভিযোগঃ শিক্ষাদান চলাকালীন অবস্থায় সে পার্শ্ববর্তিনী-পার্শ্ববর্তীর সহিত যথেচ্ছ গল্পগুজবে মশগুল থাকে। এইবার এই অভিযোগ আসিয়াছে স্বয়ং শিক্ষয়ত্রীর কাছ হইতে। আমার টুনি বিদ্যালয়ে দুইদিন গমন করিয়া শিক্ষয়ত্রীকে কহিল–কনিষ্ঠা টুনটুনিকে আবারো যদি কাহারো সহিত গল্পগুজব করিতে দেখা যায়, তবে তৎক্ষণাৎ স্থান পরিবর্তন করিয়া দেওয়া হউক। তৃতীয়দিনে , অভিযোগ পুনরায় আসিল ; স্থান পরিবর্তনে কোনরূপ প্রতিকার হইতেছে না। সবচেয়ে নীরব শিক্ষার্থীর নিকটে টুনটুনিকে বসাইয়ে দিলেও, সে তাহার সহিত আপনমনে গল্প করিতে থাকে।
টুনি বিদ্যালয় হইতে ফিরিয়া আসিয়া, আমি টোনাকে যথেচ্ছ চৌদ্দপুরুষ তুলিয়া গালিগালাজ করিল। সে পুরাতন সকল ইতিহাস পর্যালোচনা করিয়া উহাই প্রমাণ করিল যে, এরূপ গর্হিত আচরণ বংশপরিক্রমায় কনিষ্ঠা টুনটুনি পাইয়াছে। বাচালের গোষ্ঠী বলিয়া আরো কিছুক্ষণ মাথা চাপড়াইল। টুনির মতে, কনিষ্ঠা টুনটুনির পিতা-জ্যাঠারাও বিদ্যালয়ে ইহাই করিয়াছে। এখন এই ‘গল্পবলা-বাচালস্বভাব’ রোগের কোন প্রতিকার নাই!
গত সন্ধ্যাবেলায়, টুনি আসিয়া আমি টোনাকে পুনরায় ক্ষুদ্ধস্বরে কহিল, কনিষ্ঠা টুনটুনিকে কেননা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলিয়া দেওয়া হউক ! সে তাহার জনক (আমি ) বাচাল টোনার মত অদৃশ্যজগতের বন্ধুতালিকার বন্ধুদের সহিত বাচলামি করুক, স্কুলের অন্যান্যদেরকে রেহাই দিক !
প্রকাশকালঃ ৪ঠা নভেম্বর,২০১৬
by Jahid | Nov 25, 2020 | ছিন্নপত্র, সাম্প্রতিক
গত অপরাহ্ণে কন্যা বড় টুনটুনি কহিল, ‘ পিতা তোমার বিরল কেশ দিনেদিনে আরও বিরল হইতেছে এবং একাধারে প্রবল ধবলবর্ণের প্রকোপে তোমাকে আরও অকালবৃদ্ধ দেখাইতেছে। আমার অন্য সকল সখীদের পিতা তোমার বয়স্য বা অগ্রজ হইলেও তোমার তুলনায় তাহারা অনেক তরুণতম। দয়া করিয়া অবশিষ্ঠ যাহা কেশ বর্তমান আছে তাহা কালো রঙে রঞ্জিত কর ; তোমার এহেন বার্ধক্যপীড়িত চেহারা পছন্দ হইতেছে না। তুমি কি দেখ নাই, জননী নিয়মিত কেশপরিচর্যা করে, সৌন্দর্যবর্ধনকারী দক্ষ দোকানসমূহে মাসিক বরাদ্দে যাতায়াত করে ; ফলশ্রুতিতে তাহার চুলের সঠিক বর্ণ ও তাহার নিজের বয়স আন্দাজ করা মুশকিল হইয়া পড়ে !’
একবার ভাবিলাম তাহাকে বুঝাইয়া বলি, ‘ইহাই নিয়তি ! কেশ পক্ক হইবে, চর্ম ঝুলিয়া যাইবে, গেঁটেবাত হইবে ; ইহার পরে একসময় মধুমেহ, হৃদরোগ একত্রে আসিয়া আমাকে অবসন্ন জীবনসায়হ্নে উপস্থিত করিবে।’ পরে ভাবিলাম, এই মুহূর্তে তাহার জন্য এই ব্যাখ্যা অধিকতর বেদনাদায়ক হইবে ; যাহা অপ্রয়োজনীয় , অনাবশ্যকও বটে ! অতিবাহিত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে সকল বাস্তবতা বুঝিতে সক্ষম হইবে।
অতঃপর আমার চিরাচরিত আশাবাদী মন লইয়া হাসিহাসি মুখশ্রী করিয়া কন্যাকে কহিলাম, ‘আমার যে এখনো কয়েকগুচ্ছ কেশ মস্তিষ্কের উপরিধারে বর্তমান আছে, আমি তাহাতেই অপরিসীম খুশী। চুলের ধবলবর্ণ লইয়া দুশ্চিন্তা করিবার অবকাশ কোথায়!’
প্রকাশকালঃ ১লা অক্টোবর,২০১৬
by Jahid | Nov 25, 2020 | ছিন্নপত্র
অফিসে আসিবার সময় টুনি কহিল, টোনা আমাদের পার্টটাইম গৃহপরিচারিকাকে দেখিয়া হৃদয়ে মায়া অনুভব করি। সে অতি প্রত্যূষ ৫ ঘটিকার সময় গাত্রোত্থান করিয়া ৬টা-৮টা ; ৮টা-১০টা ; ১০টা-১ ঘটিকা গৃহে গৃহে দাসীগিরি করে। অতঃপর , আবারো অপরাহ্ণ ৪ ঘটিকা হইতে দ্বিতীয় শিফটে আরো দুই গৃহে রাত দশ ঘটিকাকাল দাসীগিরি করে।
আহারে !
আমি টুনির প্রত্যুত্তর না করিয়া দীর্ঘশ্বাস ছাড়িলাম ; আমাদের গৃহের পার্টটাইম গৃহপরিচারিকাটির জন্য নহে ; নিজের জন্য !
হায় টুনি ! গ্রাসাচ্ছাদনের নিমিত্তে এই টোনাকে উদয়াস্ত কীরকম দাসত্ববৃত্তি করিতে হইতেছে তাহা তোমার চোখে পড়িল না !
by Jahid | Nov 24, 2020 | সাম্প্রতিক
করোনাক্রান্তিতে আর সকলের মতোই টোনা ও টুনি তাহাদের সবেধননীলমণিদেরকে সহিত নানাবিধ কীর্তিকাহিনী লইয়া সময় অতিবাহিত করিতেছে। ইদানীং বৃহদাকার শিরঃপীড়া হইতেছে- দুই টুনটুনির অনলাইন ক্লাস। বাসায় একটা আদ্যিকালের ব্রডব্যান্ড লাইন রহিয়াছে ; রাউটার সহযোগে কয়েকজন ব্যবহার করিতাম । বড়টির জনৈক শিক্ষক আদেশ দিলেন, ভাগের ইন্টারনেটে চলিবে না ; একান্ত ব্যক্তিগত লাইন লাগিবে। ভাগের মা নাকি গঙ্গা পায় না ! ভাগের ইন্টারনেটে গতি কম । এই দুর্মূল্যের বাজারে গুচ্ছের টঙ্কা খরচ করিয়া আরেকটি সরবরাহ লাইন লইতে হইল। মাসের খরচে আরেকটি ওজন যুক্ত হইল। ছোটটির জন্য আগের লাইন।
হায় ! তাহাতেও কি সোয়াস্তি আছে ! ঝড়বৃষ্টি দূরে থাকুক, একটুখানি মেঘের গুড়গুড়ে আওয়াজে সেই ভাগের লাইন ও একান্ত ব্যক্তিগত লাইন যায় বিগড়াইয়া । সকাল আট ঘটিকায় ক্লাস। সাজিয়া গুজিয়া যন্ত্রের সম্মুখে বসিয়া দেখা গেল ইন্টারনেট লাইন বিকল। এক অনর্থক অস্বস্তিতে সরবরাহকারীদিগকে ফোন দাও রে, ডাকো রে চলিতে থাকে। এবং টুনির উত্তরোত্তর উত্তেজনা বৃদ্ধি হইতে থাকে।
অধুনা অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে অনলাইন পরীক্ষাও শুরু হইয়াছে । খরচ বৃদ্ধির আরেক প্রস্থ বুদ্ধি বাহির হইল; সরবরাহ লাইনে সমস্যা হইলে, মোবাইলের ডাটা ব্যাবহার করিয়া শিক্ষাদান সচল রাখিবার। সপ্তাহে সপ্তাহে নানা মোড়কে আবৃত ডাটা কিনিয়া তাহা ব্যাকআপ হিসাবে রাখা শুরু হইল। সেই ডাটার কিয়ৎ ব্যবহৃত হয় ; সিংহভাগ অপচিত হয় মেয়াদোত্তীর্ণ নামক ফাঁকিবাজির কারণে।
শিক্ষার খরচ ক্রমশ: বাড়িয়া যাইতে লাগিল।
দিনকয়েক আগে ছোটটির ক্লাস চলিতেছিল দিব্যি। কিয়ৎক্ষণ পার হইলে, তাহার আর্তচিৎকার ! জুম নামক বিশেষ শ্রেণীকক্ষে সে ঢুকিতে পারিতেছে না। কহিলাম, এই তো দেখিলাম কিছুক্ষণ আগেও আরেক শিক্ষিকার কক্ষে অবস্থান করিতেছিলে। অকস্মাৎ, কী হইল !
আবারও কী বালুকণা তুলিতে গিয়ে সাবমেরিন লাইন কর্তিত হইয়াছে !
আরেক কক্ষে বড়টির খবর লওয়া হইল। সে দিব্যি পাঠরত রহিয়াছে। কম্পিউটার নামক যন্ত্র বিগড়াইলে তাহাকে পুনশ্চালনা করিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয় ; ইহা টোনা সেই আশির দশকে শিখিয়াছে। সে তাহাই করিল, হা হতোস্মি !
উত্তেজিত টুনি, অবশেষে ছোটটির সতীর্থ আরেক শিক্ষার্থিনীর মাতাকে মোবাইল সহযোগে খোঁজ লইল। সকলেই নাকি দিব্যি শিক্ষালাভ করিতেছে। শুধু ছোটটির শিক্ষা বাধাগ্রস্ত। পাঠদানের একেবারে শেষে ছোটটির সহচরীর মাতা কর্তৃক শ্রেণিশিক্ষিকাকে ধরিয়া তাহাকে কক্ষে প্রবেশ করানো হইল। সেই শিক্ষিকা অগ্নিমূর্তি ধারণ করিয়া তিরস্কার শুরু করিয়া দিলেন। তিনি নাকি তাহার সভাকক্ষে নতুন নাম দেখিয়া প্রবেশ করিতে দেন নাই। কেননা, ছোটটি —যে কীনা সদ্য পরীক্ষাহীন শিক্ষাবর্ষ কাটাইয়া তৃতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হইয়া যারপরনাই উৎফুল্লিত ; যাহার পিতৃপ্রদত্ত নাম ‘শ্রেয়া নুসরাহ’, সেই নাম , কী কারণে যেন পরিবর্তিত করিয়া রাখিয়াছে ‘আই অ্যাম নো বডি’ ! সুতরাং শিক্ষিকার কোন কসুর নেই। তিনি সঠিক কাজটিই করিয়াছেন ; ‘আই অ্যাম নো বডি’ নামক ব্যক্তিকে শিক্ষাগৃহে অনুপ্রবেশ করিতে না দিয়া।
আমি ছোটটিকে জিজ্ঞাসা করিলাম , নাম পরিবর্তনের হেতু কি ? ( উল্লেখ্য, নাম কীভাবে পরিবর্তন করা যায়, তাহা টোনাই মাত্র দিন কয়েক আগে শিখিয়াছে। সম্ভবত: ছোটটি তাহা দেখিয়াছিল। ) সে ইংরেজদের মতো কাঁধ ঝাঁকাইল। ইহার অর্থ অনেক রকম হইতে পারে । ‘আমার ইচ্ছে !’ ‘তো ?’ ‘সমস্যাটা কি?’ ‘আশ্চর্য !’ অথবা ‘মুড়ি কিনিয়া খাও গিয়া !’
এবং যথারীতি টুনি আমার চতুর্দশ বংশলতিকা তুলিয়া শাপশাপান্ত করিতে থাকিল। কোন কুক্ষণে , এই বংশের পাল্লায় সে পড়িয়াছে ; কেন এই বংশের সন্তানেরা সহজ নিয়মে চলিতে চাহে না ; কেন এই বংশে তাহাকে শকুন্তলার ন্যায় পাঠাইয়া দিয়া তাহার হাড়মাস জ্বালানোর ব্যবস্থা করিয়াছে, ইত্যাদি, ইত্যাদি।
উত্তরপ্রজন্মের কীর্তির জন্য আমার সকল প্রয়াত পূর্বপুরুষেরা তিরস্কৃত হইতে থাকিল। এই তিরস্কার কতোকাল অবধি চলিবে সে সর্বময়ই জানে!
[ প্রকাশকালঃ ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২০ ]
সাম্প্রতিক মন্তব্য